Art Work

Art Work View videos

07/01/2021

Wings of Fire: An Autobiography of Abdul Kalam

14/12/2017

এই বসন্তে তুমি না হয় আমাকে সাজালে তোমার পলাশের রঙে,
শিমুল, কৃষ্ণচূড়ার রঙে সাজার জন্য ফাগুন না হয় ছুটে যাবে তোমার কাছে
তুমি পুষ্পপাত্র সাজিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে দ্বারে আমার জন্য|
আমি ডুব দেব তোমার ওই প্রেম ভাসানো নদীর জলে,
যেমন করে পান কৌরি ডুব দিয়ে যায়,
আজ আমার স্বপ্ন ভাসিয়ে দিলাম তোমার হৃদয়ের মোহনায়, নীল আকাশের ছায়াপথে,
এই বসন্ত শুধু তোমার চোখে, শুধু তোমার চোখেই দেখবো||

11/08/2017

১০ বছর হয়ে গেল চাকরি করছি| ২০০৬ থেকে শুরু করেছিলাম| যদিও বাবা retired করে গেছেন তবু ফ্যামিলি-র অবস্থা এখন অনেক সচ্ছল| আপাতত একটা ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স হয়েছে| বাড়ি থেকে বিয়ের জন্য তারা দিচ্ছে| তার কারণ আছে নয় নয় করে ৩২ তো হলো বয়সটা|

আসলে ইচ্ছা করে যে বিয়ে করতে চাইছি না তা নয়| একটা অন্য কিছু করার ইচ্ছা আছে| Creative কিছু| কলেজ-এ পড়তে একটু লেখালেখি করতাম, কিন্তু তা বেশি দূর এগোয়নি| এখন ইচ্ছা আছে একটু ভালো করে লেখা| সময় দিয়ে, মন দিয়ে| হৃদয়ে feel করতে চাই যে হ্যাঁ লিখছি| কিন্তু শুরু করতে পারছিলাম না| না পারছি চাকরি ছেড়ে লেখা ধরতে, না পারছি লেখা ছেড়ে বিয়ে করতে| চাকরি ছাড়বো এই কথাটাও যেন ভাবতেই ভয় লাগে|

যাই হোক, ও রকম করেই চলছিল| একদিন বড়দা খুব রাগারাগি করলো| বিয়ের ব্যাপার নিয়ে| বড়দার রাগটা যুক্তি সঙ্গত, কিন্তু আমার ego তে লাগলো, যে একটা প্রচেষ্টা আমি করবোই, লেখক হিসাবে প্রতিষ্টা পাওয়ার| আর তার জন্য আমি চাকরি ছাড়তে চাই, আবার চাকরি না থাকা অবস্থাতে কাউকে বিয়েও করতে চাই না|

সেদিন ছিল রবিবার, বড়দা খুব রাগারাগি কারাতে, আমি জামাকাপড় আর trolley-ব্যাগ টা গুছিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলাম| মা কে প্রণাম করে বলে গেলাম "লেখক হয়েই ফিরবো, আমার জন্য চিন্তা কোরোনা"| সোজা গিয়ে উঠলাম সুমিত-এর ফ্লাট-এ| ও আমার কলিগ| অবিবাহিত, তাই বেশ একটা বন্ধুত্ব আছে| ওকে বললাম "চাকরি ছেড়ে দিচ্ছি"| এই কথা শুনে ও আকাশ থেকে পড়লো| আমি বললাম "আমি একটা creative কিছু করতে চাইছি"| ও বললো "যাই হোক এটা practical ডিসিশন নয়"| আমি চুপ করে গেলাম|

পরের দিন অফিস পৌঁছে, ম্যানেজারের সাথে আমার চাকরি ছাড়ার ব্যাপারটা বললাম| অনেক বোঝাপড়ার পর ম্যানেজার ১ মাস বাদে ছাড়তে রাজি হলো| মন ফ্রেশ করে সুমিত-এর ফ্লাট-এ ফিরলাম| রাতে আমরা বাইরে খেলাম|

নেক্সট কয়েকদিন ধরে লেখা শুরু করা ব্যাপারটা আমার মনের মধ্যে ছেয়ে গেলো| আমার সমস্ত সত্ত্বায় যেন লেখক ব্যাপারটা feel করতে শুরু করলাম| মনে মনে ভাবলাম, কলকাতা তে থেকে চাকরি না করে আমি খরচ পোষাতে পারবো না| আর লেখার বেপারে একটু শান্ত নিরিবিলি জায়গা হলেই ভালো| এই নিয়ে সুমিত-এর সাথে discuss করছিলাম| সুমিত বললো ওর দাদুর বাড়ি মুর্শিদাবাদের নিমতিতা তে| নিমতিতা জায়গাটা শুনেই মনটা চমক দিয়ে উঠলো| সত্যজিৎ রায়-এর জলসাঘর সিনেমাটির শুটিং নিমতিতাতে হয়েছিল| সত্যজিৎ রায়-এর প্রতি আমার খুব শ্রদ্ধা ছিল, ওনার সুক্ষ, innovative, কাজ আমার মনে অনেকদিন থেকেই জায়গা করে নিয়েছিল| আর তাছাড়া নিমতিতা গঙ্গার ধরে| গঙ্গার বিস্তার আর প্রবাহ লেখাকে মনে যে প্রভাব সৃষ্টি করে সেই অনুভব কথায় ব্যখ্যা করা খুবই শক্ত| লেখার গুণগত মানে বোধহয় তার পরিচয় পাওয়া যায়|

যা হোক, তাই সুযোগ ছাড়তে চাইনি| আমি বললাম ওখানে কি কিছু দিন থাকা যাবে? সুমিত বললো, ওর দাদু দিদিমা এখন আর নেই| তবে এক মামা এখনো থাকেন| আর সুমিত-রা ওখানকার বনেদি ফ্যামিলি, একসময় প্রভাব প্রতিপত্তি ছিল, যদিও এখন তা অনেকটা সাদা মাঠা| ও বললো, দ্বিতল বাড়ি, যদিও বেশিরভাগ টাই ফাঁকা পরে আছে| যা হোক তো নিমতিতাই স্থির হোলো| নেক্সট ১৫ ২০ দিন নিমতিতা থাকার প্রিপারেশন আর অফিস-এর পেন্ডিং কাজে কেটে গেলো|

১২-ই june ২০১৬ তে রওনা দিলাম| Sealdha থেকে তিস্তা-তোর্সা এক্সপ্রেস ধরলাম| রাত ৮ তা নাগাদ নিমতিতা পৌছালাম| স্টেশন প্রায় ফাঁকা ফাঁকা| লোক বলতে জানা দশেক, তার মধ্যে বেশিরভাগই এই মাত্র train থেকে নামলো| কয়েক মুহূর্তে স্টেশন ফাঁকা হয়ে গেল| আস্তে আস্তে trolley-ব্যাগ আর আমার পিঠের ব্যাগ টা নিয়ে স্টেশন-এর বাইরের দিকে একটু এগিয়েছি দেখলাম একজন বয়স ৫০-এর ভদ্রলোক আমার দিকে এগিয়ে আসছে| পরনে ধুতি, আর একটা সাদা আদ্দির পাঞ্জাবি| আমার কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন "তুমিই কি অম্লান? সুমিত-এর বন্ধু| তোমাকে তুমি বলছি বলে কিছু মনে কোরোনা|" বুঝলাম উনি সুমিতের মামা| আমি বললাম "হ্যাঁ মামাবাবু| না না আমাকে 'তুমিই' বলবেন, আমিতো সুমিতেরই বয়সী"| আমি প্রণাম করলাম| উনি আশীর্বাদ করে বললেন "এস বাবা"| একটা রিকশার কাছে গিয়ে উনি দাঁড়াতেই, রিকশাওয়ালা প্রণাম ঠুকে ওনাকে বললেন "আমি নিয়ে যাচ্ছি বাবুকে, আপনি এগিয়ে যান|" রিকশাওয়ালা নিজেই আমার ব্যাগ টা রিকশাতে তুলে দিলেন| মামাবাবুর বাড়ি নিমতিতা থেকে আরও ৫-৭ km ভেতরে| আমি রিকশাতে বসলাম| খুব একটা গরম নেই এখানে| রিকশাওয়ালা কে জিজ্ঞাসা করতে বললো ১ সপ্তাহ আগে লাস্ট বৃষ্টি হয়েছিল| অন্ধকার পথে রিকশা চলছে, আলো প্রায় নেই| আমি রিকশাওয়ালা কে ভয় ভয় জিজ্ঞাসা করলাম এখানে electricity আছে তো| রিকশাওয়ালা বললো আছে তবে থাকে না বললেই চলে| বুঝলাম long-duration power cut| আকাশে চাঁদ উঠেছে| চাঁদের আলোতে হালকা যা পথ দেখা যাচ্ছে| চাঁদের আলো যে এতো সিগ্ধ, এতো কোমল, তা অনেকদিন বাদে মনে পড়লো| ছোটবেলাতে যখন current চলে যেত তখন এই চাঁদের আলো তে আমরা পাড়ার ছেলে মেয়েরা কতক্ষন খেলতাম| মনে পরে গেল আমি বড়দা আর সেজদি মিলে জোনাকি পোকা ধরতাম| ওই জোনাকি পোকা তখন আমাদের কাছে আজকের smarphone এর থেকেও আকর্ষণীয় ছিল| আর current চলে যাওয়ার ওই টুখুনি সময় ছিল সবচেয়ে অবিস্মরণীয়|

১৫ ২০ মিনিট চলার পর আমরা একটা ছোট মেঠো গলিতে ঢুকালাম| গলিটা পুরোই অন্ধকার| mobile er নেটওয়ার্ক নেই| চাঁদের আলোতে হালকা যা দেখা যাচ্ছিলো, তাতে দেখলাম একপাশে উঁচু পাঁচিল আর আরেক পশে ঝোপঝাড়| ৫ মিনিট মতো চলার পার একটা বড় গেটের সামনে এসে দাঁড়ালাম| দেখলাম মামাবাবু দাঁড়িয়ে আছেন পাশে একজন ভদ্রমহিলা একটা বড় টর্চ হাতে| বুঝলাম মামিমা| আমি নেমে প্রণাম করলাম ওনাকে| মামাবাবু বললেন "এস ভেতরে"| রিকশাওয়ালা আমার জিনিস গুলো নামিয়ে নিয়ে ভেতরে এলো| অন্ধকারে, চাঁদের আলোতে যা ঠাউরালাম, পুরানো দিনের বিশাল আকার দ্বিতল বাড়ি| অনেক অংশই অন্ধকার, শুধু মাত্র একটা দিকে টিম টিম আলো| রীতিমত গা ছমছমে একটা ব্যাপার| লেখক হতে গিয়ে শেষে এরকম একটা পরিস্থিতিতে এসে পড়বো তা আগে ভাবতে পারিনি| আবার সব ছেড়ে চলেও যেতে পারছি না| সুমিতের কাছে একটা মান সম্মানের ব্যাপার আছে|

দালান-এ উঠে একটা বসার ঘরে ঢুকলাম| দেখলাম তাতে একটা তক্তপোষ আর দুটো chair, আর একটা টেবিল| মামাবাবু আমাকে বসতে বললেন একটা chair-এ| রিকশাওয়ালা আমার জিনিস গুলো নামিয়ে রেখে মামাবাবুর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে চলে গেলেন| মামাবাবুর সামনে রিকশা ভাড়ার কথাটা বলতে মনে বাঁধলো| মামিমা একটু জল আর সন্দেশ নিয়ে এলেন| বললেন "খেয়ে নাও বাবা, অনেক দূর থেকে আসছো"| একটু খানি সন্দেশ মুখে দিয়েই মন ভোরে গেলো| মাখা সন্দেশ| কি অপূর্ব তার স্বাদ| মনে হচ্ছিলো ক্ষীর খাচ্ছি| তারপর ঠান্ডা জাল খেয়ে বসলাম| দেখলাম পুরোনো দিনের করিবর্গার ছাদ| দেয়াল থেকে প্লাস্টার খসে গেছে অনেক জায়গাতেই| কোথায় সুমিত-এর টালিগঞ্জ-এর ফ্লাট আর কোথায় মুর্শিদাবাদের গ্রামের এই বাড়ি| লেখার চিন্তা তখন মাথা থেকে উঠে গাছে| ভাবছি কাটাবো কি করে এখানে? বাথরুম কেমন হবে? অসময় খিদে পেলে খাবো কি? রাত হওয়ার পর কোথাও যাবো কি করে? এইসব| সেইসময় মামবাবু ঘরে এলেন, বললেন "চলো তোমার থাকার ঘরটা দেখিয়ে দিই"| চলতে চলতে উনি বললেন, "সুমিত-এর কাছে শুনলাম তুমি লেখক, তাই তোমাকে একটা ভালো ঘর দিচ্ছি"| দালানটা সম্পূর্ণ পেরিয়ে একটা ছোট উঠোন, সেইটা পেরিয়ে আবার একটা দালান তার দ্বিতীয় ঘরটা উনি খুলে দিলেন| ঘরে ঢুকেই মনটা ভোরে গেলো| একটা তক্তপোষ, তার ওপর একটা সাদা পরিষ্কার চাদর বিছানো, একটি টেবিল আর একটা চেয়ার| টেবিল-এর ওপর সাদা টেবিল-ক্লোথ আর তার ওপর ফুলদানি আর তাতে এক গুচা জুঁই ফুল| দক্ষিণ মুখি দুটো জানলা দিয়ে খুব সুন্দর হাওয়া আসছে| কি মিষ্টি সেই হাওয়া| জুঁই ফুলের গন্ধে ঘর ভোরে গেছে| ক্ষনিকের জন্য মনে হলো অনেক বড় কোনো হোটেল-এর ঘরে ঢুকলাম| মামিমা যে ঘরটাকে সাজিয়ে রেখেছেন তা বোঝা গেলো| মনে হোলো উনি যেন আমার নিজের আপন মামিমা|

ব্যাগ পত্র রেখে জামা কাপড় ছেড়ে ঘরের পায়জামা-পাঞ্জাবি পড়লাম| মামাবাবু ততক্ষনে চলে গেছেন| বাথরুম-এর কথা জিজ্ঞাসা করতে ভুলে গেছি| দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে কি করবো ভাবছি, দেখলাম দালানের শেষের দিকে একটা হ্যারিকেন মতো জ্বলছে| টর্চ জ্বালিয়ে এগিয়ে গেলাম| হ্যারিকেনের কাছে পৌঁছে দেখলাম পাশে একটা গালি মতো, একটু এগোতেই দেখলাম জায়গাটা বাঁধানো আর তার শেষে সারিসারি ৫ টা ঘর| বুঝলা এই হলো বাথরুম| যদিও ঘর থেকে একটু দূরে কিন্তু বেশ maintained |

হাথ পা ধুয়ে এসে ঘরে বসলাম| অনেক পুরানো দিনের বাড়ি হলেও, বাড়ি টা বেশ নিকানো, maintained , যতটা সম্ভব ভদ্র ভাবে থাকার জন্য| বিলাসিতা নেই কিন্তু দরকারি সব কিছুই আছে| রাত্রে মামিমা-র হাতের অসাধারণ পাঁঠার মাংস, মুগের ডাল, বেগুন ভাজা, ভাত আর লেডিকিনি খুব খেয়ে দক্ষিণের খোলা হওয়াতে এতো ঘুমিয়ে ছিলাম যে পরের দিন সকালে প্রায় ১১ টা তে মামিমার ডাকে ঘুম ভাঙে| মামিমা চা দিয়ে গেলেন| আমি হাত মুখ ধুয়ে এসে চা খেলাম| দিনের আলোতে বাড়িটাকে খুব সুন্দর লাগছিলো| যদিও পুরানো কিন্তু একটা প্রকৃতির ছোঁয়া আছে| সবুজ উঠোন, পরিষ্কার দালান, পরিষ্কার পুকুরের টলমল জাল, মেঠো পথ, আমি, জাম, কাঁঠাল, নারকেল এর সারি সারি গাছ, পাখির ডাক, নির্মল হাওয়া| আহা, মন আমার এতো ভোরে যেতে লাগলো| মনে হচ্ছিলো কোনো রিসোর্ট-এ এসেছি|

বিকেলের দিকে একবার পুকুর ধরে গেলাম| মেঠো পথে পেরিয়ে পুকুরের ধরে এসে দাঁড়ালাম| পুকুরের চারপাশে নারকোল গাছ| হওয়াতে দুলছে গাছগুলোর পাতাগুলো| হওয়ার টানে সমান তালে সূক্ষ সূক্ষ ডেউ উঠছে পুকুরের জলে| চারদিকে শুধু পাখির কলকাকলি আর গাছের পাতার শব্দ| একটা মাছরাঙা ঝুপ করে এসে মাছ তুলে নিয়ে গেল জল থেকে| পানকৌড়ি উঠেই ডুব দিলো| গভীর ভাবে হৃদয়ে উপভোগ করছি এই প্রাকৃতিক সুন্দর্য|

রোজই বিকালের দিকে পুকুর ধার টা তে আসতে ভালো লাগে| পুকুরের একদিকে একটা বাঁধানো পার আছে| পারটা বেশ পরিষ্কার| ওখানেই এসে বসি| জলের কাছে| মাছের ঝাঁক দেখতে পাই| হাতে করে কিছু শুকনা মুড়ি আনি| ওদেরকে দিই| সময় যে কোথা দিয়ে কেটে যায় বুঝতেই পারি না| আর সময়ের চিন্তাও করি না| মনে হচ্ছে প্রকৃতি মাতার সংস্পর্শে আমার আত্মার পরিশুদ্ধি হচ্ছে| অন্তর আত্মা যেন সম্পদে ভোরে উঠছে| প্রকৃতির ঐশ্বর্যে বিভোর হয়ে কেটে যেত বেলা|

একদিন পুকুর পারে বসে আছি, একটা গুন্ গুন্ শব্দ আসছিলো কানে| খুব হালকা, দূর থেকে| কিন্তু আসছিলো| আওয়াজের উৎস খোঁজ করার জন্য পুকুরটা ছাড়িয়ে এগিয়ে গেলাম| দেখলাম একটা ছোটোখাটো আম বাগান| আর তার একটা আম গাছে একটা দোলনা বেঁধে একটা মেয়ে দুলছে| আর গুন্ গুন্ করে গান গাইছে|

আমি ওনার গজ দশেক দূরে দাঁড়িয়ে| পরিপাটি করে বাধা চুলে বেশ বড় বিনুনি আর golapi রঙের চুড়িদার| বয়স আন্দাজ করতে পারছিলাম না| কিন্তু ওনার দোলনার চলন যেন এক তালে চলছিল গানের সাথে সাথে| ১৫-২০ মিনিট এইভাবে দাঁড়ানোর পর আমি আস্তে আস্তে এগিয়ে গেলাম ওনার দোলনার কাছে| ওনার সামনে এসে দাঁড়াতে উনি হাসলেন আমাকে দেখে| যেন আমি কত কালের চেনা| নির্মল মুখশ্রী| বয়স ২২-২৪| দোলনা থামিয়ে আমাকে বললেন "আপনি সুমিতদাদার বন্ধু তো?" আমি বললাম "হ্যাঁ, কিন্তু আপনি কি করে জানলেন?" উনি বললেন "আমি সুমিতদাদার মামাতো বোন| মা আপনার কথা বলেছে"| আমি বললাম "আচ্ছা"| বললাম "আপনাদের এই জায়গাটা খুব সুন্দর"| উনি বললেন "হ্যাঁ"| বললেন "আপনি আমাদের আমবাগান দেখেছেন"? আমি বললাম "না, এই তো কদিন হলো এসেছি| সবকিছু ঠিক মতো দেখা হয়ে উঠেনি"| উনি বললেন "চলুন আপনাকে ঘুরে দেখাই"| আমরা হাঁটতে থাকলাম| দেখলাম ওনার চাল চলন আদৌ গ্রাম্য নয়, বেশ একটা মার্জিত ভাব আছে|

আমি জিজ্ঞাসা করলাম "তা এই কদিন আপনাকে দেখিনি কেন?", উনি বললেন "আমি তো এখানে থাকি না, আমি তো পড়াশুনার জন্য কোলকাতাতে মাসির কাছে থাকি| কদিনের ছুটিতে এসেছি"| আমি বললাম "কলেজ-এ পড়ছেন?"| উনি বললেন "হ্যাঁ"| উনি অনেক গুলো আমি গাছ আমাকে দেখালেন আর তাদের বৈশিষ্টও আমাকে বললেন| ওনার সাথে কথা বলতে বলতে মনে হচ্ছিলো আমরা যেন পরস্পরের অনেক দিনের চেনা|

যা হোক, বিকালটা এই ভাবেই কেটে গেলো| রাত্রে বিছানায় শুয়ে আছি| চারিদিক শান্ত, শুধু ঝি ঝি পোকার ডাক| এই নির্মল পরিবেশে মন শুধু ভাবছে বিকালের কথা| যেন এক মিষ্টি অনুভব| এই অনুভবের মিষ্টতা আরও বেড়ে যাচ্ছে প্রকৃতির এই নিবিড় বন্ধনে|

পরের দিন বিকালে পুকুর পারে এসে দাঁড়ালাম| মাছগুলো যেন আমার time বুঝে গেছে| আজ আর ঘটে না বসে, ওপর থেকে মুড়ি গুলো ছাড়িয়ে দিতে লাগলাম| ফাঁকে ফাঁকে আম বাগানের দিকে তাকালাম| আজ আর কাউকে দেখতে পেলাম না| কি করবো ভাবছি| হঠাৎ পিছন থেকে ওনার গলা শুনলাম| উনি মিষ্টি হেসে বললেন "আপনি এখানে, আর আমি আপনার ঘরের দিকে গেছিলাম, ঘরে গিয়ে দেখলাম বাইরে থেকে বন্ধ"| আমি মিষ্টি হাসিতে উত্তর দিলাম, "হ্যাঁ এই সময়টায় আমি পুকুরের দিকটায় আসি"| উনি বললেন "চলুন আপনাকে আজ গঙ্গার পারে নিয়ে যাবো| গঙ্গা আমাদের বাড়ির খুব কাছে"| আমি বললাম "চলুন"|

আজ উনি একটা সুন্দর সিল্ক-এর শাড়ি পড়েছিলেন| খুব smart লাগছিলো ওনাকে| অথচ কত সরল, স্বাভাবিক ভাবে উনি আমার সাথে মিলছেন| ওনার মধ্যে গ্রাম্য সরলতা আর শহরের স্মার্টনেস-এর এক সুন্দর সমন্বয় খুঁজে পাচ্ছিলাম| গ্রামের মেঠো পথ ধরে আমরা হাঁটছিলাম| উনি আমাকে বিভিন্ন ফুল গাছ দেখাচ্ছিলেন| ১০-১৫ মিনিট হাঁটার পার আমরা গঙ্গার ধরে পৌছালাম| গঙ্গা অনেক চওড়া| বিসতৃত তার প্রবাহ| ওপারটা প্রায় দেখাই যায় না| বুক ভোরে নিঃশাস নিলাম আমরা দুজনে| পারে ঘাসের ওপর বসে নদীর ঢেউ, ঢেউয়ের আনাগোনা, নৌকার বয়ে যাওয়া নিঃশব্দে লক্ষ্য করতে লাগলাম| কিছুক্ষন বাদে মুখঘুরিয়ে ওনার দিকে তাকাতেই আর চোখ ফেরাতে পারলাম না| পড়ন্ত সূর্যের সোনালী আলো ওনার মলিন মুখে পড়েছে,হওয়াতে কিছু চুল এলো মেলো হয়ে মলিন স্বর্ণাভ মুখোমণ্ডলীকে স্নিগ্ধ করে তুলেছে| মা প্রকৃতি এতো সুন্দর, কিন্তু তার অনুভব যে মানুষকেও এতো সুন্দর করে তোলে তা কাছ থেকে অনুভব করছিলাম| উনি আমার চোখে চোখ রাখলেন| ওনার চোখে আমি ওনার অন্তরকে খুঁজে পাচ্ছিলাম| ঐশ্বর্যে ভরা অন্তর| ওনার চোখে চোখ রেখে মনে হচ্ছিলো যেন আমি প্রজাপতি আর ওনার চোখ যেন একটা সুন্দর ফুল আর ওনার অন্তর হচ্ছে মধু| এত মিষ্টতা সেই মধুতে যেন জন্ম জন্মান্তরেও আমি তৃপ্ত হবো না| আমার সমস্ত অন্তর দিয়ে মনে মনে ওনার চোখে চোখ রেখে নিঃশব্দে ওনাকে প্রেম নিবেদন করলাম| চোখের ভাসতে নিঃশব্দে উনি তা শিকার করলেন|

বেলা পরে আসছিলো| গ্রামের মেঠো পথ ধরে হাটতে হাটতে আমরা বাড়ি ফিরলাম| নিঃশব্দে পাশাপাশি হাঁটছিলাম আমরা| উনি খুব হালকা সুরে একটা গানের সুর গুন্ গুন্ করছিলেন....আমার মনও তাতে সুর মেলালো..."এই তো হেথায় কুঞ্জ ছায়ায় স্বপ্ন মধুর মোহে...এই জীবনে যে কটি দিন পাবো...তোমায় আমায় হেসে খেলে কাটিয়ে যাবো দোঁহে...স্বপ্ন মধুর মোহে"|

28/07/2017

একবার একজন স্বামীজীর সাথে শ্রদ্ধেয় Dr. A P J Abdul Kalam Sir-এর দেখা হয়. Dr. A P J Abdul Kalam Sir এবং স্বামীজী দুজনেই তখন lift-এ নিচে নামছেন. স্বামীজী Dr. A P J Abdul Kalam Sir-কে জিজ্ঞাসা করলেন যে "Sir, কি আপনাকে এতো শান্তিতে, এতো বিনম্রতাতে, এতো ইতিবাচক মানসিকতাতে রাখে?". Dr. A P J Abdul Kalam Sir বলেছিলেন, "জানেন স্বামীজী, আমি সবসময় ভাবি অপরকে কি দিতে পারবো? এই প্রচেষ্টায় আমাকে ইতিবাচক মানসিকতাতে রাখে".

এই টুকু শুনেই আমিও চেষ্টা করলাম তাই অনুসরণ করার. কিছু টাকা পয়সা এদিক-ওদিক দিয়েও ফেললাম. রিক্সা ভাড়া যেখানে ১৫ টাকা সেখানে টো টাকা দিয়ে দিলাম, বাস ভাড়া যেখানে ৭ টাকা সেখানে ১০ টাকা দিয়ে দিলাম. এতো কিছু সময়ের জন্য লাভ হয়েছিল বটে, কিন্তু তারপর একদিন দেখলাম অনেকে এটার অপব্যাবহার করছে. ভাবছে আমি বোধ হয় এমনিতেই টাকা বিলি করি.

আমি তখন আবার Dr. A P J Abdul Kalam Sir-এর youtube video টি দেখি. তাতে আর একটি ঘটনার উল্লেখ পেলাম. এই ঘটনাটিও ওই স্বামীজীর সাথেই. ওই স্বামীজীর কাছে একবার একজন রাষ্ট্রপতি ভবনে কর্মরত উচ্ছপদস্ত officer এসেছিলেন. উনি চাইছিলেন রাষ্ট্রপতি ভবনের চাকরি ছেড়ে pilot হতে. কিন্তু Dr. A P J Abdul Kalam Sir-কে তা বলার সাহস ওনার ছিলোনা, কারণ Dr. A P J Abdul Kalam Sir-কে উনি ভালোবাসতেন. স্বামীজী তখন ওই officer-কে নিয়ে Dr. A P J Abdul Kalam Sir-এর কাছে গেলেন. সব শুনে Dr. A P J Abdul Kalam Sir হাঁসিমুখে বললেন, "আমিও এই রাষ্ট্রপতি ভবন ছেড়ে যেতে চাই. আর তারপর একজন সাধারণ মানুষ হিসাবে ঘুরে বেড়াতে চাই আর হতে চাই যাত্রী, pilot হিসাবে তোমার প্রথম plan সফরের".

চোখে জাল চলে এসেছিলো. বুঝলাম "মনুষত্বের ছোঁয়া" দেওয়ার প্রচেষ্টাই যোগাবে ইতিবাচক মানসিকতা.

এই সেই link-টি: https://www.youtube.com/watch?v=4x2RssOBxGs&feature=share

This video shows how simple our Dr Kalam was . He was an intelligent man with a simple heart.Hope u will like the video .The video says it all about his char...

25/07/2017

গতবছর দুর্গাপুজোতে বাড়ি ফিরছিলাম. চাকরিসূত্রে আপাতত দিল্লীতে থাকি. Flight-এর টিকেট-এর দাম আকাশ ছোয়া থাকার জন্য তৎকালে রাজধানীতে ২-tier বুক করতে হয়. বুকিং কন্ফার্ম হয় সাইড লোয়ার বার্থ-এ. কোনো অভিযোগ নেই, দুর্গাপুজোতে বাড়ি ফিরছি এর থেকে আর আনন্দের কি?

বিকাল ৪:৩০ এ ট্রেন. ৩:৩০-এই স্টেশন-এ পৌঁছে গিয়েছিলাম. ট্রেন দিয়ে দিয়েছিলো ৪ টের সময়. ট্রেন-এ উঠে যথারীতি আমার সিট-এ গিয়ে বসে পড়লাম. মন ভোরে গেলো. এতো সুন্দর এই রাজধানী ট্রেনটি. মনে মনে প্ল্যান করছিলাম এবার কি কি করবো বাড়ি গিয়ে. সাউথ কলকাতা তো যাবোই, আর উত্তর কলকাতার আহিরীটোলা, বাগবাজার সার্বজনীন, এইগুলোও ছাড়া যাবেনা. বেহালার দিকটাও একবার ঢুঁ মারলে হয়. এইসব ভাবছি মনে মনে, আর মন তখন দিল্লীর প্লাটফর্ম ছেড়ে completely ঘুরে বেড়াচ্ছে কলকাতার পুজো মণ্ডপে.

তার মধ্যেই কে যেন মিষ্টি শুরে বললো "Excuse me", ঘুরে তাকিয়ে একটু হকচকিয়েই গেলাম. একবারে কলকাতার পুজো মন্ডপ থেকে রাজধানী এক্সপ্রেস-এর ভিতরে. কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি নিজেকে সামলে নিলাম. সামনে দাঁড়িয়ে একজন বয়স ২৪-২৬ এর মহিলা. ফর্সা আর নির্মল মুখমন্ডল, চোখের ছাউনিতে সরলতা, আর গলার স্বরে নম্রতা. আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন "আপানি কি লোয়ার বার্থ-এ?", আমি বিনম্র ভাবে উত্তর দিলাম "হ্যাঁ". উনি বললাম, "যদি কিছু না মনে করেন আপনি কি উপরের বার্থ-এ শিফট করতে পারবেন? আমার উপরের বার্থ-এ উঠা নামা করতে অসুবিধা হয়." আমি তৎক্ষণাৎ রাজি হয়ে হয়ে গেলাম.

ট্রেন ছেড়ে দিলো. মুখোমুখি বসে আমরা, আমি জিজ্ঞাসা করলাম "কলকাতা যাচ্ছেন? না তার আগেই নাব্বেন?". উনি বললেন "না কলকাতাতেই যাবো." উনি জিজ্ঞাস করলেন "আপনি?", আমি বললাম "হ্যাঁ, আমিও কোলকাতাতে যাবো." "কোন্নগরে বাড়ি আমার". উনি বললেন "আমি থাকি Saltlake-এ". আমি বললাম "Saltlake FD ব্লক-এর পুজো তো বিখ্যাত". উনি বললেন "হ্যাঁ, ওর কাছেই আমাদের বাড়ি".

ট্রেন বেশ জোর গতিতে চলছে. মনের ভিতর টা কেমন যেন এলোমেলো হয়ে গেছে. একটা চাপা উত্তেজনা অনুভব করতে পারছি. এতো প্ল্যানিং করছিলাম বাড়ি গিয়ে কি কি করবো, তার বদলে এখন মনে শুধু ঘুরছে এর পর কি কথা বলবো. দেখতে দেখতে রাজধানীর যাত্রী-পরিসেবা শুরু হয়ে গেল. প্রথমে জল, তারপর চা, টিফিন, সূপ. একের পর এক আসতে লাগলো. আর তার সাথে আমরা দুজনেও জমে গেলাম গল্প তে. জানতে পারলাম ওনার নাম অভিমিতা, দিল্লিতে Journalism-এর ওপর পড়াশুনা করছেন. light কিন্তু সুন্দর কথাবার্তা হচ্ছিলো আমাদের. ৮:৩০ নাগাদ ডিনার করে আমরা শুয়ে পড়লাম. ঘুম আসছিলোনা. সারাক্ষন শুধু সারা সন্ধ্যার কথাই মনে পরছিলো. মনে হচ্ছিলো "এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু...". এইসব ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি খেয়ালি নেই.

যখন চোখ খুললাম, দেখি বেশ সকল হয়ে গেছে. ঘড়িতে দেখলাম ৯ টা. উপরের বার্থ থেকে নেমে দেখি উনি উঠে পড়েছেন. আমাকে মিষ্টি হাসিতে বললেন "গুড মর্নিং". আমিও বললাম "গুড মর্নিং". মুখ-চোখ ধুয়ে এসে বসলাম. চা খেতে খেতে কথা বলতে থাকলাম. খুব ভালো লাগছিলো. ট্রেন যখন Howrah তে ঢুকছে ওনাকে বললাম FD ব্লক এ ঠাকুর দেখতে গেলে আপনার সাথে দেখা করবো. উনি বললেন "হ্যাঁ অবশ্যৈ. আমার ফোন নম্বরটা নিয়ে রাখুন. What's app করে দেবেন.". নম্বর এক্সচেঞ্জ করলাম. Howrah-তে নেমে ওনাকে বিদায় জানালাম হাঁসি মুখে. ওনাকে নিতে ওনার বাবা মা মাসি মেসো দিদি জামাইবাবু সবাই এসেছিলো. উনি আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলো. খুব ভালো লাগলো ওনাদের সাথে কথা বলে. এতটা expect করিনি. সবাইকে পুজোর অভিনন্দন জানিয়ে কোন্নগর-এর ট্রেন ধারার জন্য এগিয়ে গেলাম.

বাড়িতে ফিরে ওনাকে What's app-এ জানালাম 'পৌঁছে গেছি", উনিও সঙ্গে সঙ্গে reply দিলেন যে উনিও পৌঁছে গেছেন. কেউ সাথে সাথে reply দিলে খুব ভালো লাগে. মনে হয় যেন একটা connection গড়ে উঠছে. খুব অবাক লাগে ভাবতে. আমাদের বাবা-মা-এর যুগে ছিল শুধু চিঠি. আর তাতেও তারা কত যোগাযোগ রাখতেন সবার সাথে. আর আজ এতো রকম instatnt communication সিস্টেম থাকা সত্ত্বেও কালে ভাদ্রে কথা হয় বন্ধু বা পরিজনদের সাথে.

রাত্রে ডিনার করার সময় আবার ওনার মেসেজ এলো. আমি সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিলাম. ৩-৪ বার আমাদের মেসেজ এক্সচেঞ্জ হলো. উনি জিজ্ঞাসা করলেন কবে আসছি FD block-এ. আমি জানালাম অষ্টমীর দিন. দূর্গা পুজোর অষ্টমী একটি অসাধারণ দিন সারা বছরে. বাঙালির সাজ সজ্জা, মেলামেশা, খায়াদাওয়াতে সেদিন যেন সর্বোত্তম মাত্রার ছোয়া লাগে.

অষ্টমীর দিন দুপুরে FD ব্লক-এ পৌঁছেছিলাম. ৫-৬ ঘন্টা ছিলাম. বোন আমার ভগ্নিপতি আমি আমার এক বন্ধু আর ওর wife গিয়েছিলাম. সবাই মিলে অনেক কথা হলো. দশমীর দিন আমরা পরস্পরকে wish করলাম.

লক্ষ্মী পুজোর আগে আরেকবার দেখা করবো ঠিক করলাম. এইবার অভিমিতা আমাকে ওর বাড়িতে নিয়ে গেল. অনেক্ষন কাটালাম ওর বাড়িতে. অনেক গল্প কথা বার্তা হলো ওর বাবা মা-এর সাথে. লক্ষ্মী পুজোর পর পরই আমার ফেরা ছিল. অভিমিতার দুদিন আগে. কিন্তু শেষ পর্যন্ত একসাথে ফিরবো বলে টিকেটটা পিছিয়ে নিলাম. সেই তাৎকালেই. কিন্তু এবার বার্থ দুজায়গায়. কোনোরকমে manage করলাম. একসাথে ফিরতে ফিরতে অনেক কথা হলো. আমি লিখতে ভালোবাসি. Facebook-e লিখিও মাঝে মাঝে. দেখলাম অভিমিতার আমার লেখার প্রতি কোনো ভালোলাগা নেই. এটাকে ও সাধারণ ভাবে. ও ভালোবাসে ইভেন্ট এর ওপর লিখতে. বরং আমার লেখার ব্যাপারটাকে সামান্য বলে উড়িয়েই দিলো. যা হোক এই নিয়ে আমি আর কোনো কথা বাড়ালাম না. একসাথে দুজনে আছি এই আমার ভালো লাগছিলো.

এর পরে মাস পাঁচেক কেটে গেছে. আমি আর অভিমিতা বেশ জড়িয়েই গেছি. ওদের বাড়ির আমাকে পছন্দ আর আমাদের বাড়ির ওকে. তাই আর কোনো ব্যাপার নেই. বিয়ে একপ্রকার ঠিক. সরস্বতী পুজোতে আমি বাড়ি ফেরার plan করছিলাম. অভিমিতার একটা training ছিল. না হলে একসাথেই ফেরা যেত.

সরস্বতী পুজোতে আমার প্রতিবার বাড়ি ফিরতে ভালো লাগে. এতো সুন্দর বসন্ত কাল আর চারিপাশ এতো রঙ্গীন হয়ে ওঠে যে এইসময় বাংলাদেশ কে miss করা যায় না. মন পুরো refresh হয়ে যায়. এইবার সরস্বতী পুজোতে পাড়ার club-এর ছেলেগুলো দাবি করলো একটা লেখা পাঠ করার জন্য. লেখাগুলোকে প্রায় একপ্রকার সরিয়েই রেখেছিলাম. ভেবেছিলাম আমার এই সামান্য লেখা যেন আমার আর অভিমিতার মধ্যে ব্যবধান না তৈরী করে. অনেকদিন বাদে laptop-এ লেখাগুলোকে খুলে পুরানোদিনের কথাগুলো মনে পড়েগেলো. খুব ভালো লাগতো আমার লিখতে. মনে হতো যেন এই লেখার মধ্যে দিয়ে আমি ছবি আঁকছি আমার পাঠকদের মনে. কোথায় যে হারিয়ে যেতাম.

পুরানো লেখাগুলোর মধ্যে থেকে একটা ভালো উপযোগী লেখে বেঁচে নিলাম. আমার পাঠ ছিল বিকাল ৫ টা তে. অনেকদিন বাদে হলেও ভালোই পাঠ করলাম. সবাই মোটামুটি প্রশংসাও করলো. পুরো ব্যাপারটা পরিচালনা করছিলো তনুস্কা বলে একজন ২৪-২৫ বয়সের মহিলা. অনুষ্ঠান শেষে উনি আমাকে ধন্যবাদ জানালেন আর প্রশংসা করলেন আমার পাঠের. আমি জানতে পারলাম উনি গান গাইতে ভালোবাসেন তবে ভালো লেখার প্রতি একটা টান আছে. এই লেখার কথা বার্তার মধ্যে দিয়ে কখন যে সময় কেটে চললো খেয়ালি ছিল না. প্রায় ২ ঘন্টা আমরা কথা বলে ফেললাম. মনে হচ্ছিলো যেন আমি যা ভাবছি উনি তাই বলছেন আর আমি যা বলছি সেটা যেন ওনারই ভাবনা. এতো সব মিলে যাচ্ছিলো যে এই কথোপকথন থেকে বেরোতেই পারছিলাম না আমরা দুজনেই. ৯:৩০ নাগাদ বোন আর ভগ্নিপতি এসে ডেকেছিল.

সরস্বতী পুজোর পরের দিন আমাদের আবার দেখা হলো মণ্ডপে. উনি বললেন আমার লেখাগুলো উনি পড়েছেন, আর আমি বললাম ওনার "সকলি তোমারি ইচ্ছা..." শ্যামা সঙ্গীত টি আমি youtube-এ শুনেছি. এই ভাবে আবার আমাদের কথোপকথন চলতে লাগলো বঙ্গ সংস্কৃতি কে কেন্দ্র করে. বাংলার অসাধারণ সংস্কৃতির পর্যালোচনার ছোঁয়ার মধ্যে দিয়ে আমরা পরস্পরের মধ্যে এতটাই হারিয়ে গিয়েছিলাম যে একটা সময় টানা ১০ মিনিট আমরা শুধু পাশাপাশি নিঃশব্দে হাঁটছিলাম, আর পরস্পরকে অনুভব করছিলাম.

আমি এতটাই হারিয়ে গেছিলাম তনুস্কা-র মধ্যে যে রাতে বারান্দাতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছিলো আমি কি ঠিক করছি? অভিমিতা আর তনুস্কা. একজন কি আমার ভালোলাগা আর আরেকজন কি আমার ভালোবাসা? একজন কি আমার মনে আরেকজন কি আমার আত্মায়? মনে হচ্ছিলো আত্মার বিকাশ মানুষ্য জীবনের লক্ষ্য নাকি প্রতিশ্রুতিতে দৃঢ়বদ্ধ থাকা?

বি:দ্রঃউপরে লিখিত গল্পটি এবং গল্পের চরিত্র আর নাম নিছক কল্পনা মাত্র. বাস্তবের সাথে এর কোনো মিল নেই.

24/07/2017

Sweetu was the most radiant woman I had ever seen, we met on the train while I was heading to my parent’s last year for Diwali. She had a smile that could light up a room and a personality so mercurial, I was always on my toes.
She was very polite to strangers and never failed to put a smile on faces even on her worst days. She was a redhead with astounding green eyes, her slim face was adorned with full and beautiful lips. Her tall frame made her look directly into my eyes every time we stood across each other, I had never met a woman my height.

She brought bliss into my complicated life, the joy I could never really explain. My parents adored her, my sisters invited her everywhere. My friends enjoyed her cooking and always sought her advice. Sweetu always knew the right thing to say.

After just five months, I proposed to Sweetu, told myself things couldn’t get any better and this happiness was going to last forever. So, in front of our family and friends, I affirmed that I would marry her.

A few months passed and preparations had begun for the wedding ceremony, we were really happy but I started to have doubts. I felt pressured by everybody to love and treat Sweetu a certain way.

Sweetu never really loved poetry the way I did, so we went to less and less of poetry readings and performances.

On a Tuesday night, my friends for the ink potter’s club invited me for a spoken word open mic, a particular performance caught my attention and brought clarity to some of the reasons I loved writing.

I went back home and invested some time into my old craft, the results were a little rusty but I kept trying for weeks.

One evening, I was sitting alone at a poetry reading and that was where I met Nitu, she was from a remote village in India. She had the dark brown skin of a bronze goddess. She told me about herself and how poetry was her only escape as a teenager.

Our conversation grew with wild exuberance as we took a long walk and swapped stories for the earlier part of that night.

Nitu and I connected on a deep level unlike any other person before her, she had a way with words that kept my eyes glued on her. She understood my unspoken thoughts had answers to all my questions.

When I eventually left her that night, I noticed the void I had been feeling for a while had disappeared, I was at peace again.

I decided to talk to Sweetu about it since we were going to spend the rest of our lives together but I never got around to doing that.

Before you question my fidelity, fast forward to two months later and two weeks to my wedding, I’m in deep love with Nitu as I was honestly feeling the taste of happiness and deep peace with Nitu.

N.B: This is a story only and all the characters are the imagination of the writer, any resemblance with any real person is mere coincidence only.

23/07/2017

The most inspiring thing happened to me today at the park. I took my 6-year old daughter to play at the park with some of her friends. After a while, she came back to me to ask for some money to buy a cup of ice-cream.

At first, I wondered why she’d want anything so cold since she had complained to me about it hurting her teeth in the past. We had even gone to the dentists on several occasions to get some vitamin prescription for her extra sensitive teeth. This made me send her back to the swings while I replied some mails on my phone while sitting on the bench.

About 10 minutes later, she came back and said it was necessary she got some ice-cream. So I took her hand and walked with her to ice cream truck right inside the park. I told her she was getting the smallest cup and she looked up at me, smiled then said: “that’s enough mom”. So I ordered the strawberry and some toppings collected it and paid the vendor. When I handed it to her, she dragged me along to the left corner of the park saying, “mom come with me”. I was trying to protest when I realized where she was headed. She stopped and gave her ice-cream to a homeless man who had been sitting there all along.

That brought tears to my eyes but my heart was filled with joy. How a 6-year old could have known to be so cheerful and give to a stranger. I greeted the man and asked why he was there, he then told me he had lost his job years ago and had no family.
I was so touched by what my little baby had done that I gave him some money. I wasn’t in a position to give him a job or a house but it didn’t hurt to offer the little I could.

Today made me realize we sometimes get so swept up in our own problems that we forget to look out for our neighbors and the needy.

12/06/2017

Value of Simplicity, Love and Compassion

https://youtu.be/Umgh3V5vQ8o
11/06/2017

https://youtu.be/Umgh3V5vQ8o

Pravin Tulpule served in the Indian Navy for 17 years. And then one fine day, he left it all to become a clown. Bajaj V presents Invincible Indians: Solid Pe...

10/06/2017

বি: দ্রঃ:নিম্নলিখিত post-টি ব্যক্তিগত ধারণা, বাস্তবের সাথে ব্যাবহৃত নামের কোনো মিল নেই.

প্রতিবার গরমের ছুটিতে আমরা মামারবাড়ি যাই. আমি, আমার বোন আর বাবা-মা. আমি অভীক, এবার মাধ্যমিক দিলাম আর আমার বোন অণু class-3 এ পরে. পুরুলিয়ার এক গ্রামে আমাদের মামার বাড়ি. মামারবাড়িতে আছে দাদু, দিদা, দুই মামা, মামীরা আর আছে বুটান, তুতান আর সোনাই, বুবু যথাক্রমে বড় মামা আর ছোট মামার ছেলে. সবাই মিলে খুব মজা হয়. গ্রামে আসলে কত ভালো লাগে. সবুজ গাছপালা, উন্মুক্ত নীল আকাশ, মেঠো রাস্তা, দিগন্ত প্রসারিত খোলা মাঠ, এইগুলো যেন নিজেকে উদার করে দেয়, মনটাকে বড় করে দেয়. উদাসী হওয়াতে মন যেন কোথায় হারিয়ে যায়.

মামারবাড়ির জায়গাটা বেশ বড়. এইবার এসে লক্ষ্য করলাম, জমির এককোনে একটা ঝুপড়ি, যদিও মামারবাড়ি থেকে সেটা অনেক দূরে. আগেরবার এটা দেখিনি. দাদুকে জিজ্ঞাসা করতে দাদু বললো ওখানে একটা লোক থাকে যার কিছু নেই, কিন্তু সে অনেক জ্ঞানী. খুব অবাক হলাম. জ্ঞান যদি থাকবে তাহলে সেই জ্ঞান কাজে লাগিয়ে টাকা উপার্জন করলো না কেন? দাদুকে এই প্রশ্নটা করাতে, দাদু বললো টাকার যদি চাহিদা না থাকে তাহলে কেউ উপার্জন করবে কেন. আমি বললাম টাকার তো দরকার আছে জামা-কাপড় কেনার জন্য, খাওয়া-দাওয়া করার জন্য, বাড়ি-ঘরের জন্য. দাদু আমার দিকে তাকিয়ে উদাস ভাবে বললো, কখনো কখনো মানুষ মনুষত্বের এমন উচ্চতায় পৌঁছায় যেখানে দৈহিক বা পার্থিব সমস্ত কিছুই তার কাছে অদরকারি হয়ে পরে, তার হৃদয় তখন পরমাত্মাকে অনুভব করতে চায় শুধু. দাদুর কথা খুব একটা কিছু বুঝতে পারলাম না. মনে মনে ঠিক করলাম একদিন ওই ঝুপড়িতে দেখবো কে আছেন.

তার পরের দিন দুপুর বেলাতে যখন সবাই ঘুমিয়ে, আমি আস্তে আস্তে ঝুপড়ির কাছে গিয়ে একটা ফুটো দিয়ে দেখার চেষ্টা করলাম ভেতরে কে আছে. দেখলাম একজন বয়স্ক লোক, ষাটোর্ধ, একটা চটের ওপর বসে একমনে কিযেন লিখে যাচ্ছে. দেখলাম তার পশে একটা মোটা বই. কিছুই বুঝতে পারলাম না. কিন্তু কৌতূহল বেড়েই গেল. বিকাল বেলাতেও একবার দেখার ইচ্ছাতে বুবু আর তুতান কে নিয়ে ঐদিকে গেলাম. বুবু আর তুতান আমার ইচ্ছেটা জানতো না. ওদেরকে বলেছিলাম একটু ঘুরতে যাবো. বুবু আমার বোনের বয়সী. হাঁটতে হাঁটতে ওর জল তেষ্টা পেয়ে গিয়েছিলো. আমি বুবুকে বললাম যে ওই ঝুপড়িতে একটা লোক থাকে, তাকে গিয়ে বললে সে জল দেবে. আমার ইচ্ছা ছিল এই ফাঁকে আরও বেশি জানা ওই ঝুপড়ি আর ওই লোকটার ব্যাপারে. বুবু খুব সরল মনে ওই ঝুপড়ির কাছে গিয়ে ঝুপড়ির দরজা খুলে বললো "আমাকে একটু জল দেবে?". আমিও উঁকি মেরে দেখলাম ওই বয়স্ক লোকটা আজকেও কি যেন লিখছিলো. বুবুর কথা শুনে আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকলো কিছুক্ষন. বুবু আবার বললো "আমাকে একটু জল দেবে?" লোকটা যেন কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলো, বুবুর কথা দ্বিতীয়বার শুনে ব্যাস্তসমস্ত হয়ে উঠে ঝুপড়িটার কোণের দিকে গিয়ে কুঁজো থেকে এক গ্লাস জল নিয়ে আমাদের দিকে এগিয়ে এলো. খুব জরাজীর্ণ চেহারা, বুকের হার গুলো পরিষ্কার ভাবে গোনা যায়, পরনে শুধুমাত্র একটা ছোট ধুতি, চোখে একটা খুব পুরানো আর ভাঙা চশমা. কিন্তু মুখে একটা মলিন ভাব. বুবুর কাছে কুঁজো হয়ে জলের গ্লাসটা কাঁপা কাঁপা হাতে এগিয়ে দিলো. বুবু গ্লাসটা হাতে নিয়ে গ্লাসটাকে কিছুক্ষন দেখলো, তারপর একটুখানি জলখেয়েই ফিরিয়ে দিলো. বয়স্ক লোকটা বুঝতে পারলো গ্লাসটা পুরানো আর একটু তোবড়ানো বলে বুবু জলটা খেতে পারলো না. চলে আসার সময় পিছন ফিরে দেখলাম লোকটা তখনো দরজার কাছে জলের গ্লাসটা ধরে দাঁড়িয়ে আছে আর আমাদের দিকে উদাস ভাবে তাকিয়ে আছে.

এই ঘটনার পর কয়েকদিন কেটে গাছে. আমিও মুছে ফেলেছি সবকিছু মন থেকে. ঝুপড়ির ব্যাপারটা একটা সামান্য ব্যাপার ভেবে. চলে আসার কদিন আগে আমরা সবাই ঠিক করলাম picnic-এ যাবো. দাদু দিদাকে ধরাতে ওনারা কিছুতেই যেতে চাইলেন না শরীরের দুর্বলতার জন্য. শেষমেষ দাদু-দিদাকে ছাড়াই আমরা সবাই সকালবেলা বেরিয়ে গেলাম. মামারবাড়ির থেকে ১৫-২০ কি:মি: দূরে একটা ছোট নদী আর guest-house আছে. গরমকালে নদীতে একপ্রকার হাঁটুজল. নদীর পারটা সবুজ ঘাসে ভাড়া. picnic-এর জন্য আদর্শ জায়গা. সারাদিন খুব মজা হলো. রাতটা guest-house-এই কাটালাম. পরেরদিন ফিরতে ফিরতে দুপুর ১১ টা বেজে গেলো.

মামারবাড়িতে ঢুকতেই আমরা সবাই অবাক হয়ে গেলাম. বাড়িটা যেন কেমন থমথমে. এর আগে যতবার মামারবাড়িতে ঢুকেছি, দিদা ছুটে আসতো আনন্দেতে. আজ সেই উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রথম বারের জন্য মিস করলাম. আস্তে আস্তে দিদা দাদুর ঘরের দিকে এগিয়ে গেলাম, দেখলাম দাদু দক্ষিণের জানলাটা দিয়ে বাইরের দিকে একমনে তাকিয়ে আছে, আর দিদা চুপ করে খাটের কোন বসে আছে. বুঝতে পারলাম কিছু গুরুতর ঘটেছে. বড় মামা জিজ্ঞাসা করলো কিছু হয়েছে নাকি. দিদা ছোট মামীর দিকে তাকিয়ে ইশারাতে বললেন আমাদের নিয়ে যেতে.

বিকালে ছোট মামীর থেকে জানতে পারলাম ঝুপড়ির বয়স্ক লোকটা কাল রাতে মারা গেছেন. খবরটা শুনেই, ওনার শেষ ছবিটা আমার চোখের সামনে ভেসে উঠলো. জরাজীর্ণ একটা চেহারা, একহাতে জলের গ্লাস ধরে দাঁড়িয়ে আছেন. আমি জামাটা গায়ে দিয়ে, চটিটা পায়ে পরে বেরিয়ে গেলাম. প্রায় ১০ মিনিট হাঁটার পরে ঝুপড়িটার কাছে এসে পৌছালাম. দেখলাম আজও ঝুপড়িটা সেরকমই আছে যেরকম শেষ দেখেছিলাম. শুধু আজ দরজাটা একটু বেশি খোলা. দরজার কাছে কয়েকটা খৈ ছাড়িয়ে আছে. দরজাটা খুলে দেখলাম সেই চট টা. তার পাশে একটা বই আর বই-এর নিচে অনেক কাগজ. ঘরের ভেতরে ঢুকে দেখলাম কোণের সেই কুঁজোটা আর তার ওপরে সেই পুরানো গ্লাসটা. কুঁজোর পাশে নিচের দিক করে দেখলাম কাগজে মোরা কি যেন একটা. এগিয়ে গিয়ে তুলে দেখলাম ওটা একটু ভারী. কাগজের মোড়ক টা খুলে দেখলাম একটা নতুন steel-এর গ্লাস. চোখ আমার জলে ভরে গেলো. রসিদটার তারিখটা দেখে বুঝতে পারলাম, বুবুর জন্য উনি এটা কিনে ছিলেন যাতে ও আবার জল চাইলে ভালো করে দিতে পারেন. গ্লাসটার গায়ে হাত রেখে আমি যেন ওনার হৃদয়ের নির্মলতা টা অনুভব করতে পারছিলাম. বুঝতে পারছিলাম দাদুর সেদিনের কথাটা যে এ যেন মনুষত্বের চরম উচ্চতা. যে নিজেই সহায় সম্বলহীন সে অন্যকে ভালো করে সেবা করার জন্য তৎপর. চটের কাছে রাখা বইটার কাছে গিয়ে দেখলাম লেখা আছে Calculus. বই আর কাগজ গুলো নিয়ে ঘরে ফিরে এলাম. ভালো করে কাগজ গুলো পরে বুঝতে পারলাম যে উনি কলন-বিদ্যার ওপর লিখছিলেন, যাতে পারিপার্শিক সহজ-সরল উদাহরণের মাধ্যমে কলন-বিদ্যা সহজেই শেখানো যায়. ওনার কাগজ আর বইটা যত্ন করে তুলে রেখে, জালনার কাছে চুপ করে বসেছিলাম অনেক্ষন.

মনে মনে ভাবলাম, এই যে এতো smartphone, এই যে এতো motorcycle, এই যে এতো flat-apartments, কিন্তু কোথায় সেই স্বামী বিবেকানন্দ, কোথায় সেই ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর, কোথায় সেই সত্যেন বোস? .

https://www.youtube.com/watch?v=AoFgEqjO2kg

Address

Bangalore
560001

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Art Work posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share