31/01/2021
পদত্যাগকৃত পলাতক ডিরেক্টরদের উদ্দেশ্যে বলছি,
১) মোঃ সাইদুর রহমান,
২) মোঃ গোফরানুল হ্ক,
৩) মেজবা উদ্দিন স্বপন ,
৪) জসিম উদ্দিন রানা ,
৫) মোঃশাহ আল্ম,
ও অনন্য পলাতক আসামীগন ………
সাম্প্রতিক সময়ে আপনারা যারা সোশ্যাল মিডিয়াতে যে সকল বক্তব্য দিয়েছেন তাতে বোঝা গেল ৪৫ লক্ষ মানুষের বিনিয়োগকৃত প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করার মূলহোতা আপনারা ছিলেন। তার প্রমাণ হলো, কোম্পানির নামে মামলা হওয়ার পরপরই আপনারা আপনাদের নিজেদের সকল সম্পত্তি বিক্রি করে এবং আপনাদের ব্যক্তিগত ব্যাংক একাউন্টের টাকা পাচার করে দেশের বাহিরে পালিয়ে আছেন। দীর্ঘ ৯ বছর পর এখন আপনাদের হুশ হলো, আল্লাহর কাছে কি জবাব দিবেন? আল্লাহর কাছে জবাব দেবার জন্য পলাতক না থেকে দেশে এসে আত্নসমর্পণ করে কোম্পানির জন্য কাজ করে দেখান। আর যদি তা না করেন সেফুদার দেশপ্রেমের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে কোম্পানির প্রতি যে ভণ্ড প্রেম দেখান তা ডিস্ট্রিবিউটরগণ ভালোই বুঝেন। আপনারা যারা রফিকুল আমিন স্যারের নামে বাজে মন্তব্য করছেন, স্যার আপনাদের মতো এতো নিচু মনের মানুষ না যে কুকুর তার পায়ে কামড় দিলে উনি কুকুরের পায়ে কামড় বসাবেন। আপনারা যারা পদত্যাগকৃত ডিরেক্টর, তারা আর রফিকুল আমিন স্যারের মধ্যে পার্থক্যঃ-
১. যখন কোম্পানির নামে মামলা হয় তখন রফিকুল আমিন স্যার স্বেচ্ছায় আত্নসমর্পণ করেন, আর আপনারা পদত্যাগ করে পালিয়ে যান।
২. জেলে বসেও রফিকুল আমিন স্যার সারা বাংলাদেশের সকল ডিস্ট্রিবিউটরদের জন্য চিন্তা করেছেন এবং আমাদের মাঝে ফিরে আসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু আপনারা সেই তখন থেকে এখন পর্যন্ত পালিয়ে আছেন, এবং এখন মামলার শেষ পর্যায়ে এসে নিজেদের সাধু সাজিয়ে শুধুমাত্র অনলাইনে হাজির হয়েছেন মিথ্যে কথার ঝুড়ি নিয়ে। সেইসাথে দেশে ফিরে এসে ডিস্ট্রিবিউটরদের সামনে দাঁড়ানোর সাহস কিংবা যোগ্যতা, কোনোটাই আপনাদের নেই।
৩. সারা দেশের কোম্পানির সকল সম্পত্তি রক্ষার্থে ৩০/৩৫ টি মামলা স্বনামধন্য আইনজীবীদের মাধ্যমে জেলে বসেই তদারকি করছেন এবং এখন যখন আদালতের রায়ে সেই সম্পত্তি রফিকুল আমিন স্যারের মাধ্যমে কোম্পানি ফিরে পেতে যাচ্ছে তখন আপনারা পদত্যাগ করেও এতোদিন গর্তে লুকিয়ে ছিলেন, তারা এখন দুধের মাছির মতো ভনভন করে উড়তে শুরু করে করেছেন ৪৫ লক্ষ মানুষের স্বপ্নের সেই কোম্পানির সম্পত্তি লুটপাট করার জন্য।
৪. কোম্পানির সম্পত্তি রক্ষার জন্য করা মামলার পাশাপাশি মূল মামলার চার্জশিট ও সকল প্রকার কাগজ স্বনামধন্য আইনজীবীদের মাধ্যমে প্রস্তুত করেছেন আর আপনারা পর্দার আড়ালে নিজেদের লুকিয়ে রেখেছেন। রফিকুল আমিন স্যারের চেষ্টায় মূল মামলার নথিপত্র যথাসময়ে তৈরি হওয়ায় মামলা আজ শেষ পর্যায়ে।
৫. রফিকুল আমিন স্যারের একান্ত চেষ্টায় বৈশাখী টিভির মামলা ২ বার জয়ী হয়ে সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে ৯৮% মালিকানা কোম্পানি বুঝে পায় এবং আনন্দ ও ছন্দ ছিনেমা হল পরিচালনার দায়িত্বও কোম্পানি পায়। যা দেখে আপনাদের মতো লোভী মানুষদের চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়, যার জন্য পদত্যাগ করেও পলাতক থেকে অনলাইনের মাধ্যমে ডিস্ট্রিবিউটরদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার বৃথা চেষ্টা করছেন।
পরিশেষে আপনাদের এই মিথ্যাচার এবং বিভ্রান্তমূলক তথ্য ডেসটিনির বিনিয়োগকারী ও পরিবেশকগন পরিষ্কারভাবে বুঝতে পেরেছে ডেসটিনির ষড়যন্ত্রের সাথে আপনারা জড়িত ছিলেন এবং এখনো ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন । জনাব মোঃ রফিকুল আমিন স্যারের বিরুদ্ধে এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।