Medishopsbd

Medishopsbd মেডিসিন সহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সামগ্রী
হোম সার্ভিস (মানুষের দোরগোড়ায়) দেওয়া।

11/10/2020

পরিপূর্ন মানব জীবনের জন্য চার জন বন্ধুর (নিউরোট্রান্সমিটার) অতীব প্রয়োজন।জীবন ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই এই চার বন্ধুকে গুরুত্ব দিন। এই রাসায়নিক বন্ধুর পরিমানের উপরই কিন্তু আপনার জীবন চলমান। সমান্য হেরফেরে কিন্তু জীবন স্থবির হয়ে যেতে পারে।

1. Endorphins
2. Dopamine
3. Serotonin
4. Oxytocin

#জীবনের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় বন্ধুটির নাম হলো এন্ডোরফিনস। হাসপাতালের বিছানায় একাকী শুয়ে না থাকা পর্যন্ত অনুধাবন করা যায়না- সুস্বাস্থ্য জীবনে কত দরকার। সুস্বাস্থ্যের জন্য দিনে চব্বিশ ঘন্টায় কমপক্ষে আধঘন্টা সময় এই বন্ধুর জন্য ব্যয় করতে হয়। ব্যয়াম করলে শরীর এণ্ডোরফিনস ডিসচার্জ করে।

ভালো একটা বই পড়লে , ভালো মানুষের সাথে সুসম্পর্ক রাখলেও শরীরে জন্য অতি প্রয়োজনীয় এই বন্ধুটির সাক্ষাৎ পাওয়া যায়।
এই বন্ধুটিকে প্রতিদিনই দরকার। মন খারাপ থাকলে প্রিয়জন কাছে আসলে যেমন মন ভালো হয়ে যায়। ঠিক তেমনি- মন যখন খারাপ একটু দৌড়ে আসুন। হেঁটে আসুন। এই এণ্ডোরফিনস নামক বন্ধুটি তখন আপনার ভরসা হয়ে সাথে থাকবে।

#দ্বিতীয় বন্ধুটির নাম হলো ডোপামিন। প্রথম বন্ধু আপনার শরীরকে লাইনে রাখে। কিন্তু শরীর শুধু লাইনে রাখলে হয়না। পাশাপাশি আপনাকে সৎ একটা জীবনও যাপন করতে হয়।

কোটি কোটি টাকা থাকলেও অসৎ মানুষের চেহারা দেখলে বুঝবেন- কি যেন একটা অশান্তি ওদের মাঝে বিরাজ করে। কিন্তু সৎ মানুষের চেহারায় দেখবেন একটা অন্য রকমের দীপ্তি ছড়িয়ে আছে।

যখনই সৎভাবে কোনো একটা কাজ আপনি করবেন তখন শরীরে ডোপামিন তৈরি হয়।

আপনি পরিকল্পনা করলেন- আজকে ঠিক সময়ে অফিসে যাবেন। অফিসের সব কাজ ভালোভাবে শেষ করবেন। এক টাকাও ঘুষ খাবেন না। ফাইল আটকে রাখবেন না। কোনো রকমের চিটিং করবেন না। কাউকে ফাঁকি দিবেন না। প্রতিদিন যখন এই টার্গেট আপনি পূর্ণ করবেন- শরীরে ডোপামিনের আগমন ঘটবে।

ফুলে যেমন প্রজাপতির আগমণ ঘটে। কারো ভালো কাজে অনুপ্রেরণা দিলেও শরীরে ডোপামিন আসে। স্ত্রী যখন স্বামীর পরিশ্রমকে উৎসাহ দেয়, স্বামী যখন ঘরে গিয়ে দিনের যাবতীয় নানা কাজের জন্য স্ত্রীর প্রশংসা করে- দেখবেন স্ত্রীর চেহারায় একটা লাবণ্য আসে।

আপনার কাজ যখন বস এ্যপ্রিশিয়েট করে কিংবা নিজের ছেলেমেয়েকে কোনো কিছু ভালোভাবে শেষ করার জন্য আপনি সাবাশ বলেন- তখন একটা বাড়তি আনন্দ, উৎসাহ তৈরি হয়। এর সবগুলোই হলো- শরীরের অকৃত্রিম বন্ধু ডোপামিনের কাজকারবার। ভালো কিছু অর্জন করুন-ভালো কাজে একজন আরেকজনকে উৎসাহ দিন আর শরীরের ডোপামিনের কলোনি গড়ে তুলুন।

#তৃতীয় বন্ধুটি হলো সেরোটোনিন। এই বন্ধুটি হলো- কামিনী রায়ের কবিতার এই দুই লাইন "আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী 'পরে, সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে।"

কারো কল্যাণের জন্য যাই করিনা কেন তাতে সেরোটোনিন নামক এই অদৃশ্য বন্ধুটির সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। পথের মাঝ থেকে একটা কাঁটা ফেলে দিলেন- কাউকে সুপরামর্শ দিলেন- বৃদ্ধ, মহিলা, রোগী , দূর্বল কাউকে বাসের সীটটা ছেড়ে দিলেন। দেখবেন- মনে সুখ পাচ্ছেন। শরীরে এই সুখ এনে দেয় সেরোটোনিন নামক এই অদেখা বন্ধুটি।

একাগ্রচিত্তে ধ্যান করলেও শরীরে প্রশান্তি আসে। লোক দেখানো না বরং আধ্যাত্মিক সম্পৃক্ততার তাগিদে কেউ যদি কারো ধর্ম বিশুদ্ধ পালন করে - মনে প্রশান্তি আসে। এই প্রশান্তির যোগান দেয়- বন্ধু সেরোটোনিন।

#আমাদের শেষ বন্ধুটি হলো- অক্সিটোসিন। প্রিয়জনের সান্নিধ্যে আসলে কিংবা কোনো সুন্দর জায়গা ভ্রমন করলে শরীরে একটা সুখ আসে। কোলাকুলি করলে- কারো সাথে করমর্দন করলে- অদেখা বন্ধুকে কাছে পেয়ে জড়িয়ে ধরলে -বাবা-মায়ের পাশে বসে থাকলে - এমনকি আপনজনের কন্ঠস্বর শুনলে- পরিবারের সবাইকে ভালোবাসায় জড়িয়ে রাখলে দেহ মনে একটা আনন্দের ভাব আসে। কেউ যখন খুব কষ্টে থাকে তখন কোনো প্রিয়জন যদি বুকের সাথে শুধু জড়িয়ে ধরে- তখন মনটা অনেক হালকা হয়ে আসে। মনকে হালকা করে দেয়া এই আনন্দময়ী বন্ধুটি হলো অক্সিটোসিন।

তাই, এন্ডোরফিনস নামক বন্ধুকে পেতে প্রতিদিন ব্যায়াম করা, ডোপামিনকে পেতে প্রতিদিন সৎভাবে জীবনযাপন করে ছোট ছোট কাজ সম্পাদনা করা, সেরোটোনিন কে পেতে পরোপকার করা- বিশুদ্ধ মনে নিজ নিজ ধর্ম পালন করা আর অক্সিটোসিন নামক অকৃত্তিম বন্ধুকে পেতে শিশুদের আদর-সোহাগ করা- সুযোগ পেলেই বাবা-মায়ের পাশে বসে থাকা এবং আপনজনের সাথে সময় কাটানোর কোনো বিকল্প নেই।

প্রতিটি পরিবারেরই উচিত শিশুরা যেন এই চারবন্ধুকে সাথে নিয়ে বড় হতে পারে-সেটা খেয়াল রাখা। একাডেমিক পড়ালেখার চেয়ে শিশুদের আরো বেশী দরকার এই চার বন্ধুর।
[সংকলিত]

শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি,মানসিক সুস্থতাকে গুরুত্ব দিন।নিজে ভালো থাকুন, অন্যকে ভালো রাখুন।
10/10/2020

শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি,
মানসিক সুস্থতাকে গুরুত্ব দিন।
নিজে ভালো থাকুন, অন্যকে ভালো রাখুন।

একজন রাশিয়ান চিত্রকরের আঁকা ছবি। যা স্বাভাবিকভাবে দেখলে রাগান্বিত স্বভাবের এবংআধা চোখ বন্ধ অবস্থায় দেখলে একজন হাসিমাখা ন...
26/09/2020

একজন রাশিয়ান চিত্রকরের আঁকা ছবি।
যা স্বাভাবিকভাবে দেখলে রাগান্বিত স্বভাবের এবং
আধা চোখ বন্ধ অবস্থায় দেখলে একজন হাসিমাখা নারীর ছবি মনে হয়।

লোভ থেকে দুরে থাকুন,নিজেকে নিরাপদে রাখুন।
24/09/2020

লোভ থেকে দুরে থাকুন,
নিজেকে নিরাপদে রাখুন।

পানি পান করুন, একটু নিয়ম মেনে।
20/09/2020

পানি পান করুন, একটু নিয়ম মেনে।

27/08/2020

অবাক মৃত্যু !

মৃত্যু -এক

বিখ্যাত গণিতবিদ রামানুজান যখন ইংল্যান্ডে প্রথম গেলেন তখন এক ফাইভ স্টার হোটেলে উঠলেন।শুতে গিয়ে দেখেন বিছানার উপর মোটে একটা কম্বল।এদিকে বাইরে প্রচন্ড শীত।একবার ভাবলেন ফোন করে আরো কম্বল চাইবেন।কিন্তু পাছে ক্ষ্যাত ভাবে এই ভেবে তিনি একটা কম্বল গায়ে দিয়েই শুয়ে পড়লেন।বেশ কিছু দিন এভাবে কাটানোর পর ঠান্ডা লেগে তার হয়ে গেল নিউমোনিয়া,ব্রঙ্কাইটিস।ডাক্তার জিজ্ঞেস করায় তাকে খুলে বললেন সব।ডাক্তার তো হেসেই খুন।তিনি বললেন, “তুমি তো আসলেই একটা ক্ষ্যাত,ঐ সমস্ত হোটেলে বিছানাটা এমন ভাবে সাজানো থাকে ঠিক বালিশের নিচ দিয়ে সটান ঢুকে পড়তে হয় বিছানার ভিতরে।উপরের কম্বলটাতো ফর শো!”

বি:দ্র:সবচেয়ে বড় ট্র্যাজিডি হচ্ছে পরবর্তীকালে এই নিউমোনিয়াতেই তাঁর মৃত্যু হয়।

মৃত্যু -দুই

জীবনকালে পিথাগোরাসের জনপ্রিয়তা ছিলো ব্যাপক।ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে পিথাগোরিয়ানদের সংখ্যা যারা পরবর্তীকালে জ্ঞানচর্চা থেকে রাজনীতি চর্চায় মনোযোগী হয়ে ওঠেন।এতে করে রাজশক্তি চিন্তিত হয়ে ওঠে।তারা মিথ্যা প্রচার শুরু করে।এতে করে জনসাধারণ বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে।তারা পিথাগোরাসের শিক্ষাকেন্দ্রে আক্রমণ করে বসে।শিষ্যদের অনুরোধে পিথাগোরাস পালিয়ে যান।এমন সময় তার সামনে পরে কলাই জাতীয় শষ্যের ক্ষেত।তিনি বিশ্বাস করতেন কলাইয়েরও প্রাণ আছে।একটি জীবন্ত কলাইয়ে পা দেওয়া মানে একটা জীবন নষ্ট করা।নিজের জীবন বিপন্ন জেনেও তিনি কলাই ক্ষেতে পা রাখলেন না।বিক্ষুদ্ধ জনতা সেই সুযোগে তাকে নাগালের মধ্যে পেয়ে তাঁকে হত্যা করলো। তিনি নিজের জীবন দিয়ে নিজের আদর্শকে রেখে গেলেন উঁচু করে।

মৃত্যু-তিন

জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে জাগতিক নিঃসহায়তা জীবনানন্দ দাসকে মানসিকভাবে কাবু করেছিল এবং তাঁর জীবনস্পৃহা শূন্য করে দিয়েছিল। মৃত্যুচিন্তা কবির মাথায় দানা বেঁধেছিল। তিনি প্রায়ই ট্রাম দুর্ঘটনায় মৃত্যুর কথা ভাবতেন।তাঁর বন্ধুবান্ধবকেও এ ব্যাপারে বলতেন ।কাকতালীয়ভাবে ১৪ই অক্টোবর, ১৯৫৪ তারিখে কলকাতার বালিগঞ্জে এক ট্রাম দুর্ঘটনায় তিনি আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীর মতে এ সময় দুই হাতে দুই থোকা ডাব নিয়ে ট্রাম লাইন পার হচ্ছিলেন কবি।ট্রামের ক্যাচারে আটকে তার শরীর দলিত হয়ে গিয়েছিল। ভেঙ্গে গিয়েছিল কণ্ঠা, ঊরু এবং পাঁজরের হাড়। গুরুতরভাবে আহত জীবনানন্দের চিৎকার শুনে ছুটে এসে নিকটস্থ চায়ের দোকানের মালিক চূণীলাল এবং অন্যান্যরা তাঁকে উদ্ধার করে। ভর্তি করা হয় শম্ভূনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে। চিকিৎসক ও সেবিকাদের সকল প্রচেষ্টা বিফলে দিয়ে ২২শে অক্টোবর, ১৯৫৪ তারিখে রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে কলকাতার শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। গত এক শত বৎসরে ট্রাম দুর্ঘটনায় কোলকাতায় মৃত্যুর সংখ্যা মাত্র একটি। তিনি আর কেউ নন, কবি জীবনানন্দ দাশ।

জানেন কি মরিংগা পাউডার (Moringa Powder) বা সজিনা পাতা গুড়াকে সুপার ফুড বলা হয়।সজিনা পাতা সম্পর্কে কিছু তথ্য যা আপনাকে অব...
26/08/2020

জানেন কি মরিংগা পাউডার (Moringa Powder) বা সজিনা পাতা গুড়াকে সুপার ফুড বলা হয়।
সজিনা পাতা সম্পর্কে কিছু তথ্য যা আপনাকে অবাক করবেঃ

🌿সজিনা পাতায় কমলা লেবুর তুলনায় ৭ গুণ ভিটামিন-সি রয়েছে।

🌿 দুধের তুলনায় ৪ গুণ ক্যালসিয়াম এবং দুই গুণ আমিষ রয়েছে।

🌿 গাজরের তুলনায় ৪ গুণ ভিটামিন-এ পাওয়া যায়।
🌿 কলার চেয়ে ৩ গুণ পটাশিয়াম বিদ্যমান।

শুনে আরও অবাক হবেন যে সজিনার পাতা পানিকে আর্সেনিক মুক্তও করে।

আসুন এই অলৌকিক পাতার আরো কিছু বিস্ময়কর গুন জেনে নেইঃ

🌱সজিনার পাতা হৃদরোগীদের জন্যে ঠিক ওষুধের মত কাজ করে, উচ্চ রক্তচাপ কমায়, কোলেস্টেরল কমায়, ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রিত রাখে।

🌱এক টেবিল চামচ শুকনা সজিনা পাতার গুঁড়া থেকে ১-২ বছর বয়সী শিশুদের অত্যবশ্যকীয় ১৪% আমিষ, ৪০% ক্যালসিয়াম ও ২৩% লৌহ ও ভিটামিন-এ সরবরাহ হয়ে থাকে।

🌱দৈনিক ৬ চামচ সজনে পাতার গুঁড়া একটি গর্ভবর্তী বা স্তন্যদাত্রী মায়ের চাহিদার সবটুকু ক্যালসিয়াম ও আয়রন সরবরাহ করতে সক্ষম।

🌱 সজিনা পাতা বহুমূত্র রোগের জন্যে অনেক উপকারী।

🌱সজিনার ডাটা থেকে সজিনার পাতা অধিক উপকারী।

🌱এলার্জি জনিত সমস্যা হলে সজিনার পাতা বেটে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

🌱প্রতিদিন সকালে এক চামচ শুকনা গুড়া পানিতে গুলিয়ে খেলে পেটের প্রদাহ, গ্যাস্ট্রিক মুক্তি পাওয়া যায়।

🌱গেটেবাত এর জন্যে সজিনা পাতা বেটে হাটুতে বা যে স্থানে ব্যাথা হয় লাগিয়ে রাখলে ব্যাথা মুক্তি পাওয়া যায়।

🌱সজিনার ফুল এ ও অনেক উপকার আছে যেমন : হজম শক্তি বাড়ায়, কোষ্ট কাঠিন্য দূর করে ইত্যাদি।

🌱সজিনার পাতা পোকার কামড়ের তাতক্ষনাৎ এন্টিসেপ্টিক হিসেবে অনেজ ভালো কাজ করে।

🌱 সজিনার পাতা ক্রিমিনাশক হিসেবে কাজ করে। ক্রিমি সমস্যা করলে সজিনা পাতা গুড়ো করে অথবা অন্য খাবারের সাথে খান।

🌱সজিনা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, শরীর কে কর্মঠ রাখে। হাড় এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যা আত্মরক্ষার ও ভূমিকা পালন করে।

🌱 সজিনা পাতা যকৃত ও কিডনির কাজ সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ করে কিডনি ও লিভার সুস্থ রাখে।

🌱সজিনা পাতা গর্ভবস্থায় মায়ের শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করে কোনো ধরনের পার্শ প্রতিক্রিয়া ছাড়া।

🌱শরীরের ওজন কমাতে অনেক সাহায্য করে। ব্যায়াম এর পাশাপাশি সজিনা পাতা খান।

🌱 ডাক্তার ও বিশেষজ্ঞ দের মতে সজিনা পাতা ও ডাটা প্রায় ৩০০+ রোগের জন্যে উপকারী ও রোগ নিরাময় করে।

🌱সজনে পাতা বাচ্চাদের পেট পরিষ্কার রাখে।

🌱 সজনে পাতা চামড়া ও চুলের জন্যে ও ভালো।

এবার এর ব্যবহারবিধি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাকঃ

💅ত্বক এর জন্যে :
মধুর সাথে সজিনা পাতার রস বা শুকনো গুড়া মিশিয়ে মুখে লাগানে পারেন। এতে মুখের চামড়া টান টান হয়, পরিষ্কার হয় ব্রণ দূর হয়।

💅 ত্বক এর ক্ষতস্থান এর মধ্যে লাগাতে পারেন পাতা বেটে বা গুড়া পেস্ট করে। সজনে পাতা ত্বক এর মধ্যে ক্ষত থাকলে তা ও সারায়।

💅চুলের জন্যে :
সজনে পাতার রস বা শুকনা গুড়া পেস্ট করে সাথে মধু মিক্স করে বা এমনি মাথায় দিয়ে ম্যাসাজ করুন। এতে চুল পড়া কমবে। মাথার ত্বক পুষ্টি গুণ পাবে। মাথা ঠান্ডা থাকবে। চুল সুন্দর ও ঘন হবে।

আজকে গুগল ড্রাইভ সম্পর্কে জানব:-==========================💢গুগল ড্রাইভ কি ?==============গুগল ড্রাইভ (Google drive) একটি...
25/08/2020

আজকে গুগল ড্রাইভ সম্পর্কে জানব:-
==========================

💢গুগল ড্রাইভ কি ?
==============
গুগল ড্রাইভ (Google drive) একটি cloud based file storage সার্ভিস যেটা Google এর দ্বারা নির্মিত। এই সার্ভিস ২৪ এপ্রিল ২০১২ সালে গুগলের দ্বারা শুরু করা হয়েছিল। Google drive কে সোজাভাবে একটি অনলাইন file storage service বলা যেতে পারে, যেখানে আমরা প্রয়োজনীয় files যেমন “images“, “videos“, “documents“, “apps” বা যেকোনো digital file আপলোড করে সেখানে স্টোর করে রাখতে পারি।

এবং, এভাবে গুগল ড্রাইভে অনলাইন ফাইল (files) স্টোর কোরে বা রেখে আপনারা যেকোনো সময় যেকোনো কম্পিউটার বা মোবাইলে Google drive app বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সেই upload করা files গুলি আবার ডাউনলোড করতে পারবেন।

এর ফলে, আপনার কিছু প্রয়োজনীয় ছবি বা ফাইল সব সময় নিরাপদ থাকে এবং মোবাইল বা কম্পিউটার খারাপ হয়ে গেলেও আপনি ফাইল বা ছবি আবার গুগল ড্রাইভ থেকে ডাউনলোড করে নিতে পাড়ার সুযোগ আপনার কাছে থাকে।

💢গুগল ড্রাইভের সুবিধা এবং লাভঃ
==========================
যারা গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করেন তারা ভালো করেই এর লাভ এবং সুবিধার ব্যাপারে জানেন। এমনিতে, যেকোনো smartphone এ এর ব্যবহার বেশি হয় এবং মোবাইলে গুগল ড্রাইভের সুবিধা সবথেকে বেশি।

গুগল ড্রাইভের সেরা ১০ টি সুবিধা বা লাভ :-
==============================
🌿আপনি যেগুলি ছবি বা ফাইল ড্রাইভে আপলোড করেছেন সেগুলি যেকোনো smartphone বা computer এবং Google ড্রাইভের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আবার ডাউনলোড করা যাবে।

🌿আপনি যতদিন না ফাইল গুলি নিজের গুগল ড্রাইভ একাউন্ট থেকে ডিলিট করবেন, সেগুলি আপনার গুগল একাউন্টে স্টোর হয়েই থাকবে। মোবাইল চুরি হয়ে গেলেও বা কম্পিউটার খারাপ হয়ে গেলেও আপনার ছবি বা ফাইল নিরাপদ ভাবে সেখানে থাকবে।

🌿১৫ জিবি (GB) অব্দি free storage space দেয়া হবে। ১৫ জিবি, ছবি এবং ফাইলস রাখার জন্য অনেক বেশি।

🌿যেকোনো ছবি বা ফাইল আপনি নিজের একাউন্ট থেকেই কাওকে বিভিন্ন মাধ্যমে শেয়ার করতে পারবেন। শেয়ার করা লিংকের মাধ্যমে তারা সেই ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেন।

🌿Google drive এর app যেকোনো ডিভাইস যেমন, mobile, computer বা laptop এর জন্য ফ্রীতেই available.

🌿আপনি গুগল ড্রাইভ অনলাইন এবং অফলাইন দুই ধরণের ব্যবহার করতে পারবেন।

🌿এখানে বিভিন্ন রকমের presentation file, document files, excel sheet files ইত্যাদি বানানো যাবে।

🌿যদি আপনি একজন blogger তাহলে নিজের ব্লগের full automatic backup এখানে নিতে পারবেন।

🌿নিজের ড্রাইভের ড্যাশবোর্ডে ফোল্ডার বানানো যাবে এবং ফোল্ডারের ভেতরে আপনি ফাইলস বা ছবি আপলোড করতে পারবেন।

🌿Google এর অনলাইন ডাটাবেসে (online database) ফাইল স্টোর হওয়ার জন্য এর দ্বারা আপনি নিজের স্মার্টফোনের অনেক জায়গা (storage space) বাঁচিয়ে নিতে পারবেন।
ধন্যবাদ।

24/08/2020

জীবনকে সুন্দর করার কিছু টিপসঃ
🌿🍀🌿🍀🌿🍀🌿🍀🌿🍀🌿

১. প্রতিদিন ঘুমানো উচিৎ গড়ে সর্বোচ্চ ৬-৮ ঘণ্টা। বেশি সময় নয়, ভালভাবে ঘুমানোই বড় কথা। মোবাইল সাইলেন্ট করে আর ল্যাপটপ দূরে রেখে ঘুমানো ভালো।

২. মোবাইলের ড্রাফ্টসে কিংবা একটা নোটবুকে আপনার মাথায় বিভিন্ন মুহূর্তে যে ভাল কথা কিংবা চিন্তা ভাবনা আসে, তা লিখে রাখতে পারেন। সাধারণত সুন্দর চিন্তাগুলি দুইবার আসে না।

৩. প্রতিদিন ৩০ মিনিট নিয়ম করে কোন একটা মোটিভেশনাল বই পড়া উচিৎ কিংবা লেকচার শোনা। এ সময় নিজের ইগোকে দূরে রাখতে হবে।

৪. কোন সময় মন যদি খুব অশান্ত হয়ে যায়, এবং কিছুতেই সেটাকে শান্ত করা না যায়, তবে ১০ মিনিট হাঁটুন আর হাঁটার সময় নিজের পদক্ষেপ গুনুন। আরেকটা কাজ করতে পারেন। সেটি হল, মাথা থেকে সমস্ত চিন্তা বের করে দিয়ে মাথাটাকে সম্পূর্ণ ফাঁকা করে দিয়ে চুপ করে ১০ মিনিট আঁকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা।

৫. প্রতিদিন সকালে উঠে সেদিন কী কী কাজ করবেন, সেটি একটা কাগজে ১০ মিনিটে লিখুন। কাগজটি সাথে রাখুন। আগের দিনের চাইতে অন্তত একটি হলেও বেশি কাজ করার কথা লিখবেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মিলিয়ে নিন, সবগুলি করতে পেরেছেন কিনা মিলিয়ে মিলিয়ে দেখুন।

৬. যে কাজটা করা দরকার, সে কাজে জেদি হওয়ার চেষ্টা করুন। কাজটার শেষ দেখে তবেই ছাড়ুন।

৭. যিনি আপনাকে তার জীবনে অপরিহার্য মনে করেন না, তাকে আপনার জীবনে অপরিহার্য মনে করার বাজে অভ্যেস থেকে সরে আসুন। যে আপনাকে ছাড়াই সুস্থভাবে নিঃশ্বাস নিচ্ছে তার জন্যে দম আটকে মরে যাওয়ার কোনো মানেই হয় না। আপনি কত সময় ধরে তার সাথে ছিলেন, সেটা বড় কথা নয়; বরং সামনের সময়টাতে কত বেশি তাকে জীবন থেকে ডিলিট করে থাকতে পারবেন, সেটাই বড় কথা।

৮. খুব দ্রুত পড়ার অভ্যাস করুন। পড়ার সময় কীভাবে অপ্রয়োজনীয় অংশগুলিতে চোখ বুলিয়ে যেতে হয়, সেটা শিখুন। প্রয়োজনীয় অংশগুলি দাগিয়ে দাগিয়ে বারবার পড়ুন। এতে আপনার পড়ার সময় কমে যাবে।

৯. আপনার বর্তমান অবস্থার দিকে তাকান। দেখবেন, অনেক সময়ে কিছু কিছু বিষয়ে স্রষ্টার অনুগ্রহে আপনি অনেক বিপদ কিংবা দুর্ভাগ্য থেকে বেঁচে গেছেন এবং ভাল আছেন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে শুকরিয়া আদায় করে ঘুমান।

১০. বিভিন্ন মোটিভেশনাল বই, বিভিন্ন গ্রেট ম্যানদের বায়োগ্রাফি, বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থ এসব বই পড়ার সময় অবশ্যই বিশ্বাস করে পড়তে হবে। যদি আপনি পৃথিবীতে সবকিছুই যুক্তি দিয়ে বিচার করেন, তবে পৃথিবীতে বেঁচে থাকাটা আপনার জন্য কঠিন হতে পারে। তবে বইগুলিতে যা যা আছে, সেগুলির মধ্য থেকে আপনার দরকারি জিনিস গুলিকেই গ্রহণ করুন।

১১. মাসে অন্তত দুই দিন রোযা রাখুন (মুসলিমদের জন্য)। রোযা মানসিক শক্তি বাড়ায়, সহনশীল এবং বিনীত হতে শেখায়। ভিন্ন ধর্মের ভিন্ন পন্থা অনুসরণ করে ফাস্টিং করা যেতে পারে।

১২. ব্যাগে অন্তত একটি ভাল বই রাখুন আর সুযোগ পেলেই পড়ুন। মোবাইলেও পিডিএফ আকারে বই রাখতে পারেন।

১৩. প্রতিদিন অন্তত একজন ব্যক্তিকে সাহায্য করুন কিংবা ক্ষমা করে দিন। এতে আপনার নিজের প্রতি সম্মানবোধ বাড়বে। নিজেকে সম্মান করুন সবচাইতে বেশি।

১৪. সপ্তাহে একদিন বাসার বারান্দায় দাঁড়িয়ে ভোর হওয়া দেখুন। এটি আপনার ভাবনাকে সুন্দর করতে সাহায্য করবে।

১৫. একটা সহজ বুদ্ধিঃ অন্য মানুষকে সম্মান করে না, এমন লোকের সঙ্গ এড়িয়ে চলুন। উদ্ধত লোকের কাছ থেকে তেমন ভালো কিছুই শেখার নেই।

১৬. নিজের চারিদিকে একটা দেয়াল তৈরি করে রাখুন। সে দেয়ালেঘেরা ঘরে আপনি নিজের মতো করে নিজের কাজগুলি করার জন্য প্রচুর সময় দিন। এতে আপনি অন্যদের চাইতে একই সময়ে বেশি কাজ করতে পারবেন। সবাইকেই সময় দিলে আপনি নিজের কাজগুলি ঠিকমতো আর সময়মত করতে পারবেন না।

১৭. প্রতিদিন একটা ভাল বইয়ের অন্তত ৩০ পৃষ্ঠা না পড়ে ঘুমাতে যাবেন না। ফেসবুকিং করার সময় বাঁচিয়ে বই পড়ুন। বই পড়ে, এমন লোকের সাথে মিশুন। যে ছেলে কিংবা মেয়ে বই পড়ে না, তার সাথে প্রেম করার কিছু নেই। আর যদি ভালবেসেই ফেলেন, তবে তাকে বইপড়া শেখান।

১৮. আপনার চাইতে কম মেধা আর বুদ্ধিসম্পন্ন লোকজনের সাথে সময় কম কাটান। তবে কখনওই তাদেরকে আঘাত করে কোন কথা বলবেন না। একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তির সাথে একবার কথা বলা ২০ টা বই পড়ার সমান। ভুল লোকের সাথে সময় কাটানোর চাইতে একা একা থাকা অনেক ভাল।

১৯. প্রতিদিন আপনি যতটুকু কাজ করতে পারেন, তার চাইতে কিছু বাড়তি কাজ করুন।

২০. সপ্তাহে একদিন ঘড়ি এবং মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে একেবারে নিজের মতো করে সময় কাটান। সেদিন বাইরের পুরো দুনিয়া থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলুন এবং যা যা করতে ভাল লাগে কিন্তু ব্যস্ততার কারণে করা হয় না, সেসব কাজ করে ফেলুন।

২১. আপনি সম্মান করেন কিংবা পছন্দ করেন, এমন কোন ব্যক্তির ১০ টি ভাল গুণ কাগজে লিখে রাখুন। এরপর আপনি বিশ্বাস করুন যে, সে গুণ গুলি আপনার মধ্যেও আছে এবং যতই কষ্ট হোক না কেন, সে গুণগুলির চর্চা করতে থাকুন। উনি যেরকম, সেরকম হওয়ার অভিনয় করুন। উনি যেভাবে করে কাজ করেন, একই স্টাইলে কাজ করুন। এ কাজটি ২ সপ্তাহ করে দেখুন, নিজের মধ্যে একটা পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

২২. অন্যরা করার আগেই নিজেই নিজের বাজে দিকগুলি নিয়ে মাঝে মাঝে প্রকাশ্যে ঠাট্টা করুন। এতে করে আপনার নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ বাড়বে।

২৩. প্রতিদিনই এমন দুটি কাজ করুন, যেগুলি আপনি করতে পছন্দ করেন না। করার সময় বিরক্ত লাগলেও থেমে যাবেন না। যেমনঃ এমন একটি বই পড়তে শুরু করুন, যেটি আপনার পড়া উচিত কিন্তু পড়তে ইচ্ছা করে না। কিংবা এমন একজনকে ফোন করুন যাকে ফোন করা দরকার কিন্তু করা হয়ে ওঠে না। কিংবা বাসার কমোডটি পরিষ্কার করে ফেলুন। এতে করে আপনার দ্রুত কাজ করার ক্ষমতা বাড়বে।

২৪. আপনি যেমন হতে চান, তেমন লোকের সাথে বেশি বেশি মিশুন। খেতে পছন্দ করে, এমন লোকের সাথে মিশে আপনি ওজন কমাতে পারবেন না।

২৫. দিনে একবার টানা ৩০ মিনিটের জন্য মৌন থাকুন। ওই সময়ে কারোর সাথেই কোন কথা বলবেন না। খুব ভাল হয় যদি চোখ বন্ধ করে পুরোনো কোন সাফল্যের কিংবা সুখের কোন স্মৃতির রোমন্থন করতে পারেন। এটা মানসিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

২৬. প্রায়ই ভাবুন, আপনি এই মুহূর্তেই মারা গেলে আপনার পরিবারের বাইরে আর কে কে আপনার জন্য কাঁদবে। ওরকম লোকের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কী কী করা যায়, ভাবুন এবং করুন।

২৭. সকালে ভোর হওয়ার আগে উঠুন। বেশিরভাগ লোকই রাতে জাগে আর গল্প করে সময় নষ্ট করে।ভোরের আগে উঠতে পারলে, আপনাকে বিরক্ত করার কেউ থাকবে না, আপনি পড়াশোনা করা ছাড়া আর তেমন কোন কাজই পাবেন না।

২৮. কোন একটা কাজ করতে হুট করেই পরিশ্রম করা শুরু করে দেবেন না। আগে বুঝে নিন, আপনাকে কী করতে হবে, কী করতে হবে না। এরপর পরিশ্রম নয়, সত্যিই কঠোর পরিশ্রম করুন।

২৯. পৃথিবীতে কেউই জিরো থেকে হিরো হয় না। আপনাকে ঠিক করতে হবে, আপনি কোন ব্যাপারটাতে হিরো হতে চাচ্ছেন। আপনি যে বিষয়টাতে আগ্রহ বোধ করেন না, কিংবা যেটাতে আপনি গুরুত্ব দেন না, সেটাতে সময় দেয়া মানে, স্রেফ সময় নষ্ট করা। আপনি যেটাতে সময় দিচ্ছেন, সেটাই একদিন আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে চেনাবে।

৩০. বুদ্ধিমত্তা আর অর্জনের মধ্যে সম্পর্ক খুব ভাল নয়। যার যত বেশি বুদ্ধি, সে তত বেশি এগিয়ে, এরকমটা সবসময় নাও হতে পারে। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচাইতে ভাল রেজাল্ট-করা স্টুডেন্টদের শতকরা মাত্র ২০ ভাগ গ্রেটদের তালিকায় নাম লেখাতে পেরেছেন। বাকি ৮০ ভাগ আসে তাদের মধ্য থেকে যাদেরকে নিয়ে কেউ কোনদিন স্বপ্নই দেখেনি। তাই শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও নিজের সাথে লড়াই করে যান।

23/08/2020

খুব তথবহুল আব মজাদার বটেঃ
১)ঘোড়া যেখান থেকে জল পান করে, সেখানে জল পান করুন। ঘোড়া কখনও খারাপ জল পান করে না।
২)বিড়াল যেখানে ঘুমায, সেখানে আপনার বিছানা পাতুন। বিড়াল কখনও অপবিত্র, নোংরা জায়গায় ঘুমায় না।
৩)যে ফল পোকা ছুঁয়েছে তা নির্ধিতায় খান। পোকা কখনও বিষাক্ত ফল খায় না।
৪)পোকাপ্রাণী মাটিতে যেখানে খনন করে বাস করে, সেখানে গাছ লাগান। ভাল গাছ পাবেন।
৫)পাখির সাথে একই সময়ে ঘুমোতে যান এবং পাখির সাথে একই সময়ে জাগ্রত হন। আপনার সমস্ত দিন স্বর্নের শস‍্যে কাটবে।
৬)মাছের মতো পানীতে প্রায়শই সাঁতার কাটুন। মাছের মতো আপনি নিজেকে পৃথিবীতে হালকা, ফুরফূরা, সজীব অনুভব করবেন।
৭)যতবারই সম্ভব আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকুন। আপনার চিন্তাধারা আকাশের মতো স্বচ্ছ, সুন্দর এবং পরিষ্কার হয়ে উঠবে।
৮)অনেক শান্ত থাকার চেষ্টা করুন আর অল্প কথা বলুন। আপনার হৃদয়ে দেখবেন নীরবতা আসবে, আপনার আত্মা ও মন শান্ত ও শান্তিতে পূর্ণ হবে।

20/07/2020
ত্বকের যত্ন নিন
20/07/2020

ত্বকের যত্ন নিন

Address

Satkhira

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medishopsbd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Medishopsbd:

Share