shafi.com

shafi.com Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from shafi.com, Dhaka.

31/10/2017

জন্মদিনের গান

- অনির্বাণ মিত্র চৌধুরী

ঊষার আলো রং ছড়ালো
আঁধার হলো বিলীন
আলোকছটায় জানান দিলো —
আজ তোমার জন্মদিন।
ভোরের পাখি উঠছে ডাকি
এলো রে নতুন দিন
এই প্রহরে, খুশীর লহরে —
আজ তোমার জন্মদিন।
গাছের পাতা দুলছে হাওয়ায়,
নাচছে তা ধিন ধিন
প্রাণ জেগেছে, মন মেতেছে —
আজ তোমার জন্মদিন।
স্নিগ্ধ হাওয়া শীতল ছোঁয়া
বাজালো সুরের বীণ
কানের পাশে বললো হেসে —
আজ তোমার জন্মদিন।

শুভ কামনা রইলো আমার
দিনগুলো হোক রঙিন
দুঃখ কমুক, সুদিন আসুক
শুভ হোক জন্মদিন।

31/10/2017

কবিতায় প্রিয় জনকে জানান জন্মদিনের অভিনন্দন
জন্মদিনের কবিতা ১
আঁধার ভেঙ্গে সূর্য হাঁসে
বিশ্বভুবন আলোয় ভাসে।
পাখ-পাখালি ধরল গান
নদীর বুকে ওই কলতান।
তরতরিয়ে চলল তরী
মহাসাগর দেবো পাড়ি।
তরু শাঁখায় লাগলো দোল
চল বন্ধু চল জলকে চল।
খুশিতে মন তা ধিন ধিন
আজ যে তোমার জন্মদিন!

জন্মদিনের কবিতা ২
আজকেরই এই দিনে
সবকিছু হউক নতুন করে,
সুখের স্মৃতিটুক থাক কাছে
দু:খগুলো যাক দুরে।
জড়া জীর্ণ অতীতটাকে
রেখোনা আর মনে
নব উদ্দমে কাজ করো
নতুন এই দিনে।

জন্মদিনের কবিতা ৩
প্রত্যুষ আলো পড়েছে চোখে
চোখ মেলে তাকাও,
আগামী আজ ডেকেছে তোমায়
হাত বাড়িয়ে দাও !
জীবন হোক ছন্দময়
স্বপ্নগুলো রঙিন,
ভালোবাসায় ভরে উঠুক
তোমার জন্মদিন !

জন্মদিনের কবিতা ৪
জন্মদিন, শুভ জন্মদিন !!
ফুলেরা ফুটেছে হাসি মুখে
বাড়ছে ভ্রমরের গুঞ্জন,
পাখিরাও গাইছে নতুন সুরে
জানাতে তোমায় অভিনন্দন !
নদীতে বইছে খুশির জোয়ার
বাতাসে সুবাসিত কলরব,
তোমাকে নিয়েই মাতামাতি আজ
তোমার জন্যই সব !
জীবনে হও অনেক বড়
পৃথিবীকে করো ঋণী,
গাইবে সবাই তোমার জয়গান
রাখবে মনে চিরদিনি।
জীবন হোক ছন্দময়
স্বপ্নগুলো রঙিন,
ভালোবাসায় ভরে উঠুক
তোমার জন্মদিন !
জন্মদিন শুভ জন্মদিন !!

জন্মদিনের কবিতা ৫
ভোরে উঠেই ভোমড়া তাড়া-
কাজের চাপে দিশে হারা;
নেই ফুরানো দম-
দিনটা তবু অন্যরকম।

ক্লাশের ফাঁকে চুমুক কাপে-
ক্ষণ আড্ডায় সময় মাপে;
আনমনা কি মন?
আসছে বুঝি কোন মধুক্ষণ।

আকাশ নীলে উঁকি মারা-
মনটা যেন ছন্নছাড়া;
মনের কোনায় স্মৃতি-
ভাঙছে নিয়ম নীতি।

জন্মদিনের এই দিনে আজ
চঞ্চলা মন ষোড়ষী সাজ;
বাঁধন কাটার সুর-
দিচ্ছে উড়াল দূর।

নিজের মতো নিজের কাজে
কষ্ট অনেক, দুঃখ মাঝে;
লাগুক ছটা আলোয় -
মন্দ কাটুক ভালোয়।

দুর চিঠিতে সুবাস পাঠাই
ভালো থেকো এই আমি চাই।
তোমার জন্মদিনের-
বাজুক বাঁশী বীণের।

জন্মদিনের কবিতা ৬
আজকের আকাশে অনেক তারা,দিন ছিল সূর্যে ভরা।
আজকের জোসনাটা আরো সুন্দর,সন্ধ্যাটা আগুন লাগা।
আজকের পৃথিবী তোমার জন্য,ভরে থাকা ভাল লাগা।
মুখরিত হবে দিন গানে গানে,আগামীর সম্ভাবনা।
তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছো শুভেচ্ছা তোমায়,
তাই অনাগত খন হোক আরো সুন্দর উজ্জল দিন কামনায়।
আজ জন্মদিন তোমার...... !

তোমার জন্য এই রোদেলা স্বপ্ন সকাল,
তোমার জন্য হাসা স্নিগ্ধ বিকেল।
ভালবাসা নিয়ে নিজে তুমি,ভালবাস সব সৃষ্টিকে।
তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছো শুভেচ্ছা তোমায়,
তাই অনাগত খন হোক আরো সুন্দর উজ্জল দিন কামনায়।
আজ জন্মদিন তোমার...... !

তোমার জন্য ফুটে পৃথিবীর সব গোলাপ,
তোমার জন্য এই কবিতা নয় সে প্রলাপ।
আলোকিত হয়ে নিজে তুমি আলোকিত কর পৃথিবীকে।
তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছো শুভেচ্ছা তোমায়,
তাই অনাগত খন হোক আরো সুন্দর উজ্জল দিন কামনায়।
আজ জন্মদিন তোমার...... !

জন্মদিনের কবিতা ৭
কুড়িটি বছর আগে এসেছিলে এই ভুবনে!
যেদিন তোমার সাথে হল পরিচয়,
সেদিন থেকেই আজকের দিন আমার জীবনে,
জানি না কেন ভীষণ আপন মনে হয়!

শুভ হোক তোমার দিন, ভালবাসা দিলাম উপহার
এই দূর থেকে মেঘের সাথে ভেসে,
তোমার হৃদয়ের গভীরে যাবে মিশে।
যদিও আমি নেই দৃষ্টির সীমানায় তোমার!

তোমাকে আচমকা অবাক করতে পারব না
পারবনা সন্ধ্যার মৃদু আলোতে,বুকে জড়িয়ে বলতে,
হে প্রিয়, শুভ হোক তোমার জন্মদিন।
আকাংখা পূর্ণতা পেল না।

জন্মদিনের কবিতা ৮
খোলে দাও ২৬ বছর ধরে বন্ধ থাকা সকল জানালা,
আলো আসতে দাও, বয়ে যাও তোমার সাধনার তরী।
ভয় নেই তোমার, আমি রয়েছি দাড়িয়ে সদর দরজায়
হয়ে তোমার অতন্দ্র প্রহরী।

রয়েছি আমি কঠোর পাহারায় তোমার দরজায় ,
বন্ধ করেছি কষ্ট আসার সব অজানা পথ।
প্রতিনিয়ত তুমি বাচবে বাচার মত করে ,
কেউ ছুতে পারবেনা তোমাকে, রয়েছি আমি দশরথ।

কষ্টের যত শির আজও বেচে আছে ধরনীতে ,
সব শিরের আজ নত হবে মাথা।
প্রমান করে দাও তুমি শুধুই বাস্তব তুমি,
নয় কোনো গল্প উপন্যাসের রচিত কথা।

অন্ধকারে আর নয়, আলো আজ চারদিকে,
শেষ হয়ে গেছে দুঃখের সব ঋণ।
দুবাইয়ের মরুভমির মাঝে দাড়িয়ে বলছি অস্পস্ট স্বরে ,
বয়ে যাও মাঝি শুভ হোক তোমার জন্মদিন।

জন্মদিনের কবিতা ৯
রবির কিরণে উঠল বেজে নূতন বীণাখানি
টঙ্কারে তার প্রতিধ্বনি
তোমার জীবন বানী!
জন্মদিনের শুভক্ষণে রইলো মোদের আশা
আসছে বছর আবার দেবো
উজাড় ভালোবাসা।

জন্মদিনের কবিতা ১০
আসুক ফিরে এমন দিন
হোক না তোমা সব রঙিন
জনম জনমের তরে,
তোমার এই শুভ জন্মদিনে
বারে বারে পড়ছে মনে
যতই থাকি না দুরে।।

31/10/2017

জন্মদিনের কবিতা ১
আঁধার ভেঙ্গে সূর্য হাঁসে
বিশ্বভুবন আলোয় ভাসে।
পাখ-পাখালি ধরল গান
নদীর বুকে ওই কলতান।
তরতরিয়ে চলল তরী
মহাসাগর দেবো পাড়ি।
তরু শাঁখায় লাগলো দোল
চল বন্ধু চল জলকে চল।
খুশিতে মন তা ধিন ধিন
আজ যে তোমার জন্মদিন!

24/12/2016

বাসা থেকে বের হবার আগে ফ্রিজে একটা কয়েন রাখুন! কেন জানুন?

ফ্রিজে খাবার রেখে বাইরে গিয়েছেন। সাধারণভাবে আপনি নিশ্চিন্ত থাকতেই পারেন। কিন্তু, অনেক সময়ই বাড়ি ফিরে দেখতে হতে পারে যে, প্রিয় খাবারটি ফ্রিজের ভিতরে থেকেও প্রায় পচে গেছে। কারণ? অনেক কারণের মধ্যে অন্যতম হল লোডশেডিং। ওই সময়ই আপনার খাবার পচিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। তবে লোডশেডিং হয়েছে কিনা বুঝবেন কীভাবে?

শুধু ছোট্ট একটা ট্রিক করে –

একটি কাপে পানি ভরে ফ্রিজে রেখে দিন।
এবার পানিটি জমে গেলে, এর উপর একটি কয়েন রেখে ছেড়ে দিন।

যদি এসে দেখেন যে, কয়েনটি কাপের নীচে চলে গেছে, তাহলে বুঝবেন লোডশেডিং হয়েছিল এবং এক্ষেত্রে পচা খাবার নিশ্চয়ই খাবেন না। কিন্তু, যদি কয়েনটি উপরেই থাকে, তার অর্থ লোডশেডিং হয়নি।

24/12/2016

২ মিনিটে দাঁত সাদা করবে কলার খোসা।।জেনে নিন বিস্তারিত পদ্ধতি।

আচ্ছা, অতীত কালে তো ডাক্তার ছিল না। আর ছিল না নামকরা ব্রান্ডের পেস্ট ব্রাশ দাঁত মাজার জন্য। তাহলে কি তখন মানুষের দাঁত থাকতো হলদেটে আর দাগে ভরা? মোটেই না। মানুষের কাছে তখন ছিল হরেক রকম ঘরোয়া টিপস। আর তেমনই একটা হচ্ছে কলার খোসা দিয়ে দাঁত সাদা করা।

ভাবছেন এও কি সম্ভব? কিংবা ভাবছেন – “যাহ, সব ভুয়া”… তাই না? কিন্তু অসম্ভব নয়, আর মিথ্যাও নয়। কলার খোসা সত্যিকার অর্থেই বিজ্ঞান সম্মতভাবে আপনার দাঁত সাদা করতে সক্ষম। সুতরাং ভুলে যান দাঁতের ডাক্তারের কাছে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করার ভাবনা, আর ঘরে বসেই নিজের দাঁত গুলোকে রাখুন ঝকঝকে। তবে হ্যাঁ, কাজটা করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে। আর আজ জানানো হচ্ছে সেটাই।

কলার খোসায় আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান। বিশেষ করে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আর ম্যাঙ্গানিজ। আর এরাই হচ্ছে দাঁতকে সাদা করে তুলবার প্রধান হাতিয়ার। এছাড়াও কলার খোসায় Banana peel আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি, যারা কিনা দাঁতকে মজবুত করে তোলার পাশাপাশি খনিজ উপাদান গুলো শোষণ করতেও সহায়তা করে। কলার খোসা নিঃসন্দেহে সাদা করে তুলবে আপনার দাঁত, তবে ব্যবহার করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে। এবং অবশ্যই নিয়ম মেনে।

জেনে নিন বিস্তারিত পদ্ধতি।

– প্রথমেই বেছে নিন সঠিক কলা। দাঁত সাদা করার জন্য ঠিক ভাবে পাকা কলা হওয়া জরুরী। খুব বেশি পাকাও নয়, খুব বেশি কাঁচাও নয়। এমন কলা বেছে নিন যারা কিনা এখন নিচের দিকে একটু একটু সবুজ। কেননা এই ধরনের কলায় পটাশিয়াম থাকে উচ্চ মাত্রায়। আর এই পটাশিয়ামই দাঁত সাদা করার দায়িত্ব নেবে।

– কলা উলটো করে ছিলে নিন। হ্যাঁ, যেভাবে আপনি ছিলে থাকেন কলা ঠিক তার উলটো দিক থেকে ছিলে নিন। দেখবেন যে কলার গায়ে লম্বা লম্বা সুতার মতন আঁশ থাকে। উলটো করে ছিলে নিয়ে এই আঁশ গুলো থাকবে খোসার সাথেই।

– খোসা থেকে চারকোনা করে দুটি টুকরো কেটে নিন। আপনার সুবিধা মতন আকারেই কেটে নিন। চাইলে এই কাটা খোসা ফ্রিজেও সংরক্ষণ করতে পারেন।

– এবার সকালে দাঁত ব্রাশ teeth করবার পূর্বে এই কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে আপনার দাঁত খুব ভাল করে ঘষুন। প্রথম টুকরোটি দিয়ে পুরো এক মিনিট ঘষুন। তারপর সেটা বদলে দ্বিতীয় টুকরোটি দিয়ে আরও এক মিনিট। অর্থাৎ পুরো দুই মিনিট দাঁতকে ঘষুন। দাঁতের প্রত্যেকটি অংশে যেন পৌছায় এমন ভাবে ঘষতে হবে।

– দাঁত ঘষা হলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট করতে পারলে ভালো। এই সময়ে পানি বা অন্য কিছু খাবেন না, কিংবা কুলি করবেন না। সময়টা পেরিয়ে গেলে আপনার নিয়মিত ব্যবহারের টুথ পেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে নিন।

এবার আয়নায় তাকিয়ে দেখুন তো, লাগছে না দাঁত একটু বেশি পরিষ্কার? ৪/৫ দিন এমন করার পরেই দেখবেন আগের চাইতে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে আপনার দাঁত। হলদে ভাব যেমন কমে গেছে, তেমনি কালো ছোপটাও অনেকটাই সরে গেছে। যারা ধূমপান বা মদ্যপান করেন, তাদের ক্ষেত্রেও কাজ করবে এই পদ্ধতি। তবে ব্যবহার করতে হবে বেশ দীর্ঘদিন। এবং সঠিক নিয়েম মেনে।

অবশ্যই মনে রাখতে হবে –

– এটা কোনও ম্যাজিক নয়। তাই ভালো ফল পেতে নিয়ম মেনে ব্যবহার করতে হবে।

– অবশ্যই কমপক্ষে ২ মিনিট ঘষতে হবে। এই সময়টা জরুরি। বেশি ঘষলে আরও ভালো।

– ঘষার পর অবশ্যই সময় দিতে হবে খনিজ গুলো দাঁতে শোষিত হবার।

– যাদের দাঁত মদ্যপান, ধূমপান বা অসুস্থতার কারণে হলুদ তাদের ক্ষেত্রে একটু সময় লাগবে।

– কলার খোসায় Banana peel প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। তাই অবশ্যই দাঁত খুব ভালভাবে মেজে নিতে হবে। এবং এই কারণেই দিনে ১ বারের বেশি ব্যবহার করা যাবে না।

– যাদের দাঁত খুব একটা বেশি হলুদ নয়, তারা সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

অনেকেই বলবেন যে কাজ হয় না, ভুয়া ইত্যাদি। কিন্তু মোদ্দা কথাটা হলো হয় তারা চেষ্টা না করেই বলেছেন, কিংবা চেষ্টা করলেও সঠিক ভাবে করেননি। ফল পাবার জন্য অবশ্যই নিয়ম মেনে প্রয়োগ করতে হবে। আর তাই অন্য লোকের কথা শোনা বাদ দিয়ে নিজেই চেষ্টা করে দেখুন না!

24/12/2016

চুলের উকুন দূর করুন মাত্র ১৫ মিনিটে !

উকুনের সমস্যা যেমন অস্বস্তিকর, তেমনি চুলকানির কারণে একটি বিরক্তিকর বিষয়ও বটে। মাথায় উকুন আসার পর ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ডিম পাড়ে। ১০ দিন সময় লাগে উকুন বড় হতে। একসঙ্গে ডিম থেকে উকুন হওয়ার কারণে অনেক দ্রুত চুলে উকুন ছড়িয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে যতই উকুননাশক প্রসাধনী ব্যবহার করেন, উকুন বারবার ফিরে আসে। ঘরোয়া উপায়ে মাত্র ১৫ মিনিটেই আপনি উকুনের সমস্যার সমাধান করতে পারেন।

এসেনশিয়াল অয়েল লাগানো
এসেনশিয়াল অয়েল, যেমন—টি ট্রি অয়েল, ল্যাভেন্ডার অয়েল ও মৌরির তেল উকুন দূর করতে বেশ কার্যকর। ভেজিটেবল অয়েলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে ও চুলে লাগান। এবার একটি তোয়ালে দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন। এক ঘণ্টা পর ভালো করে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, চুলের উকুন একেবারেই দূর হয়ে যাবে।
মেয়োনেজ, মাখন ও পেট্রোলিয়াম জেলি লাগান
মাথার তালু ও চুলে মেয়োনেজ বা মাখন অথবা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে চুল ঢেকে সারা রাত এভাবে রেখে দিন। সকালে বেবি অয়েল দিয়ে চুল ম্যাসাজ করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, চুলের উকুন ও উকুনের ডিম সহজেই দূর হবে।

ভিনেগার দিয়ে চুল ধোয়া
সমান পরিমাণ পানি ও ভিনেগার একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগান। এবার এই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে উকুন মরে যাবে। আপনি চাইলে ভিনেগারের সঙ্গে অলিভ অয়েলও মিশিয়ে নিতে পারেন।
ভেজা চুল আঁচড়ানো
প্রথমে চুল পানি দিয়ে ভিজিয়ে কন্ডিশনার লাগান। এবার চিকন চিরুনি দিয়ে মাথার ত্বক থেকে চুলের আগা পর্যন্ত আঁচড়ান। কয়েকবার এভাবে ভেজা চুল আঁচড়ান। দেখবেন, মাথার উকুন অনেকটা দূর হবে।



পরামর্শ
বাজারের উকুননাশক প্রসাধনী চুলে ব্যবহার করবেন না। এটি চুলের জন্য এবং আপনার স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর।

সব সময় পরিষ্কার বালিশের কভার ব্যবহার করবেন। চিরুনি ও কেশসজ্জার সামগ্রী সাবান মেশানো গরম পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করুন।

অন্যের তোয়ালে বা ক্যাপ ব্যবহার করবেন না। এমনকি অন্যের চিরুনিও ব্যবহার করবেন না। কারণ, এতে আপনার মাথায় উকুনের বংশবিস্তার হতে পারে।

24/12/2016

এবার চিরকালের জন্য কোমরের ব্যথা দূর করার জাদুকরি উপায় জেনে রাখুন !

কোমর ব্যথার সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগে থাকেন। তবে মহিলারা বেশি কোমর ব্যথায় বেশি ভোগেন। প্রথম থেকে কোমরের ব্যথা নির্মূল করতে না পারলে রোগীকে ভবিষ্যৎ এ বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে। একটি উপায়ে খুব সহজে এই ব্যথা উপশম করা সম্ভব। আসুন জেনে নিই কোমর ব্যথা দূর করার জাদুকরি উপায়টি।

কেন হয় কোমর ব্যথা?

ভারী বস্তু তোলার কাজ করলে।

কোমরে চোট পেলে।

অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করলে।

পা পিছে কোথাও পড়ে গেলে।

নিয়মিত গাড়ি চালালে।

সাধারণত কুঁজো হয়ে হাঁটলে বা বসলে।

গর্ভধারণ সময়ে।

হঠাৎ কোনো কারণে হাড়, মাংসপেশি, স্নায়ু—এই তিনটি উপাদানের সামঞ্জস্য নষ্ট হলে।

এই কোমর ব্যথা খুব সহজে দূর করা সম্ভব। আদা যে কোনো ব্যথা কমাতে সক্ষম। আদার মাধ্যমেই দূর করে দিতে পারবেন এই সমস্যা। আসুন জেনে নিই এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী আদা পানি বানানোর প্রক্রিয়াটি।

যা যা লাগবে

আদা

পরিষ্কার পাতলা কাপড়

গরম পানি

কিভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে আদা কুচি করে ফেলুন। এরপর আদা কুচিগুলো পাতলা কাপড়ে রাখুন। কাপড়টির মুখ সুতা বা রশি দিয়ে বন্ধ করে দিন। একটা পুটলি বানিয়ে ফেলুন। এবার চুলায় পানি গরম করতে দিন। এই পানির মধ্যে আদার পটলিটা চিপে রস পানিতে দিন। রস ভাল করে চিপে ফেলার পর আদার পুটলিটা পানির মধ্যে দিয়ে দিন।

এবার একটি কাপড় গরম আদা পানিতে চুবিয়ে নিন। এবার কাপড়টি থেকে ভাল করে পানি চিপড়িয়ে ফেলুন। এই আদা পানিতে চুবানো কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রাখুন। লক্ষ্য রাখবেন কাপড়টা যেন খুব বেশি মোটা না হয়।

সারা রাত কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন। সারা রাত সম্ভব না হলে কয়েক ঘণ্টা এটি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন।

দেখবেন কোমর ব্যথা গায়েব হয়ে গেছে। এটি আপনাকে দীর্ঘমেয়াদি আরাম দেবে।

24/12/2016

রাতে খাওয়ার পরে এই কাজটি না করে ঘুমোতে গেলে হতে পারে মারাত্মক বিপদ!

এক এক জন মানুষের রাত্রিকালীন অভ্যাস এক এক রকমের হয়। খাওয়ার পরে কেউ গান শুনতে ভালবাসেন, কেউ বা বই নিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়েন, কেউ আবার খেয়ে উঠেই সটান লম্বা হন ঘুমোবেন বলে। এই সমস্ত অভ্যাসের মধ্যে কোনগুলি শরীরের পক্ষে ভাল, কোনগুলোই বা অস্বাস্থ্যকর? স‌েগুলি নিয়ে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু অন্তত একটি কাজ খেয়ে উঠে শুতে যাওয়ার আগে না করলে হতে পারে গুরুতর শারীরিক সমস্যা— এমনটাই মনে করছেন ডায়েটিশিয়ান লেজলি ব্যাক।

দা গ্লোব অ্যান্ড মেইল’ নামের দৈনিকে লেজলি জানাচ্ছেন, রাতে খেয়ে ওঠার পরে আর কিছু করুন না করুন, দু’তিন ঘন্টার বেশি কিছুতেই জেগে থাকবেন না। যদি খাওয়ার পরে চার বা পাঁচ ঘন্টা বাদে শুতে যান, তাহলে শরীরে মেটাবলিজম রেটে যেমন গুরুতর পরিবর্তন আসে, তেমনই ঘুমেও সমস্যা দেখা দেয়। এর ফলে রক্তচাপের ইতরবিশেষ ঘটে এবং হার্টের রোগ দেখা দিতে পারে। কাজেই লেজলির পরামর্শ, যদি রাত্রে খাওয়ার পর দীর্ঘক্ষণ জেগে থাকতেই হয় তাহলে ফল কিংবা অন্য কোনও সহজপাচ্য খাবার খেয়ে নিন।

কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘুমোতে যাওয়ার কথা বলছেন লেজলি। তাঁর বক্তব্য, খেয়ে উঠেই ঘুমিয়ে পড়লে গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল রিফ্লাক্সের ফলে গ্যাস, অম্বল বা বুক জ্বালার মতো সমস্যা দেখা দেয়। কাজেই খাওয়া এবং ঘুমোতে যাওয়ার মধ্যে ঘন্টা দেড়-দুই ব্যবধান রাখাই আদর্শ, এমনটাই মত লেজলির।

24/12/2016

হৃদরোগ এড়াতে ডাঃ দেবি শেঠির চমৎকার পরামর্শ জেনে নিন।

দেবি শেঠি ভারতের বিখ্যাত চিকিৎসক। বলা হয়, বিশ্বের সেরা ১০ জন সার্জনের একজন তিনি।বাংলাদেশেও তিনি বেশ পরিচিত।

ভারতের কর্নাটক রাজ্যের ব্যাঙ্গালোর থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে শেঠির নারায়ণা হৃদয়ালয় হাসপাতালটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান হাসপাতাল।

প্রশ্ন: হৃদরোগ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নয় এমন মানুষেরা কিভাবে হৃদযন্ত্রের যত্ন নিতে পারে?

দেবি শেঠি:
১. খাবারের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। শর্করা এবং চর্বিজাত খাবার কম খেতে হবে। আর আমিষের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে।

২. সপ্তাহে অন্তত পাঁচদিন আধা ঘণ্টা করে হাঁটতে হবে। লিফটে চড়া এড়াতে হবে। একটানা বেশি সময় বসে থাকা যাবে না।

৩. ধূমপান ত্যাগ করতে হবে।

৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

৫. রক্তচাপ এবং সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

প্রশ্ন: শাক জাতীয় নয়, এমন খাবার (যেমন মাছ) খাওয়া কি হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী?
দেবি শেঠি: না।

প্রশ্ন: মাঝে মাঝে শোনা যায় সুস্থ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছে যা খুবই দুঃখজনক। এ বিষয়টি আপনি কিভাবে দেখেন?

দেবি শেঠি: এটাকে বলে নীরব আক্রমণ। এজন্যই ত্রিশোর্ধ্ব সকলের উচিত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা।

প্রশ্ন: মানুষ কি উত্তরাধিকারসূত্রে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারে?

দেবি শেঠি: হ্যাঁ।

প্রশ্ন: হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ পড়ে কেন? এর থেকে উত্তরণের উপায় কি?

দেবি শেঠি: জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে হবে। জীবনে সব কিছু নিখুঁত হবে এমন ভাবার কোনো কারণ নেই।

প্রশ্ন: জগিং করার চেয়ে কি হাঁটা ভারেঅ? নাকি হৃদযন্ত্রের যত্ন নেয়ার জন্য আরো কঠিন ব্যায়াম জরুরি?

দেবি শেঠি: হ্যাঁ, জগিং করার চেয়ে হাঁটা ভালো। জগিং করলে মানুষ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায় এবং জয়েন্টে ব্যথা হয়।

প্রশ্ন: দরিদ্র এবং অভাবগ্রস্তদের জন্য আপনি অনেক কিছু করেছেন। এসবের পেছনে অনুপ্রেরণা কি ছিল?

দেবি শেঠি: মাদার তেরেসা। তিনি আমার রোগী ছিলেন।

প্রশ্ন: নিম্ন রক্তচাপে যারা ভোগেন, তারা কি হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারে?

দেবি শেঠি: সেটা হবে খুবই বিরল।

প্রশ্ন: কোলেস্টেরলের মাত্রা কি অল্প বয়স থেকেই বাড়তে থাকে? নাকি ত্রিশের পর এ বিষয়ে চিন্তিত হওয়া উচিত?
দেবি শেঠি: না, কোলেস্টেরলের মাত্রা ছোটবেলা থেকেই ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।

প্রশ্ন: অনিয়মিত খাদ্যাভাস কিভাবে হৃদযন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলে?
দেবি শেঠি: অনিয়মিত খাদ্যাভাস মানুষকে জাঙ্ক ফুডের দিকে ঠেলে দেয়। আর তখনই হজমের জন্য ব্যবহৃত এনজাইমগুলো দ্বিধায় পড়ে যায়।

প্রশ্ন: ওষুধ ছাড়া কিভাবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করা যায়?

দেবি শেঠি: নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, হাঁটাহাঁটি এবং আখরোট খাওয়ার মাধ্যমে।

প্রশ্ন: হৃদযন্ত্রের জন্য সবচেয়ে ভালো এবং সবচেয়ে খারাপ খাবার কোনটি?
দেবি শেঠি: ফল এবং সবজি সবচেয়ে ভাল খাবার। আর সবচেয়ে খারাপ তৈলাক্ত খাবার।

প্রশ্ন: কোন তেল ভালো? সূর্যমুখী নাকি জলপাই?

দেবি শেঠি: যেকোনো তেলই খারাপ।

প্রশ্ন: নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কি নির্দিষ্ট কোনো পরীক্ষা আছে?

দেবি শেঠি: নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সুগার এবং কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। তাছাড়া রক্তচাপ পরিমাপও জরুরি।

প্রশ্ন: হার্ট অ্যাটাক হলে প্রাথমিকভাবে কি কি পদক্ষেপ নিতে হবে?

দেবি শেঠি: রোগীকে প্রথমে শুইয়ে দিতে হবে। এরপর জিহ্বার নিচে একটি এ্যাসপিরিন ট্যাবলেট রাখতে হবে। যদি পাওয়া যায় তবে এ্যাসপিরিনের পাশাপাশি একটি সরবিট্রেট ট্যাবলেটও রাখতে হবে। এরপর দ্রুত হাসপাতালে নেবার ব্যবস্থা করতে হবে। কেননা প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়।

প্রশ্ন: হৃদরোগজনিত ব্যথা এবং গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার মধ্যে পার্থক্য করা যায় কিভাবে?

দেবি শেঠি: ইসিজি ছাড়া এটা সত্যিই খুব কঠিন।

প্রশ্ন: যুবকদের মধ্যে হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত সমস্যার আধিক্যের কারণ কি?

দেবি শেঠি: একটানা দীর্ঘ সময় বসে থাকা, ধূমপান এবং জাঙ্ক ফুড। তাছাড়া ব্যায়াম না করাও একটি প্রধান কারণ। কিছু কিছু দেশের মানুষের জেনেটিক কারণেই ইউরোপিয়ান এবং আমেরিকানদের চেয়ে তিন গুণ বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

প্রশ্ন: রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা (১২০/৮০) না থাকলেও কি কেউ পুরোপুরি সুস্থ থাকতে পারে?

দেবি শেঠি: হ্যাঁ।

প্রশ্ন: নিকট আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে করলে সন্তানের হৃদরোগ হতে পারে- এটা কি সত্য?

দেবি শেঠি: হ্যাঁ। নিকট আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে জন্মগত অস্বাভাবিকতার দিকে ঠেলে দেয়।

প্রশ্ন: বেশিরভাগ মানুষ অনিয়ন্ত্রিত রুটিন অনুসরণ করে। মাঝে মাঝে মানুষকে অনেক রাত পর্যন্ত অফিসে থাকতে হয়। এতে কি হৃদযন্ত্রের ক্ষতি হয়? যদি হয় তবে এক্ষেত্রে কি পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে?

দেবি শেঠি: তরুণ বয়সে প্রকৃতি মানুষকে এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দেয়। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে এসব বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

প্রশ্ন: অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ ওষুধ গ্রহণ করলে অন্য কোন জটিলতা তৈরি হয়?

দেবি শেঠি: হ্যাঁ, বেশিরভাগ ওষুধেরই কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে। কিন্তু আধুনিক অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ ওষুধগুলো অনেক নিরাপদ।
প্রশ্ন: অতিরিক্ত চা বা কফি খেলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে?

দেবি শেঠি: না।

প্রশ্ন: অ্যাজমা রোগীদের কি হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি?

দেবি শেঠি: না।

প্রশ্ন: জাঙ্ক ফুডকে কিভাবে সংজ্ঞায়িত করবেন?

দেবি শেঠি: যেকোনো ধরনের ফ্রাইড ফুড যেমন কেন্টাকি, ম্যাকডোনাল্ডস, সমুচা। এমনকি মাসালা দোসাও জাঙ্ক ফুড।

প্রশ্ন: আপনার মতে ভারতীয়দের হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা তিন গুণ বেশি। এর কারণ কি?

দেবি শেঠি: পৃথিবীর প্রতিটি জাতিরই কিছু নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। দুঃখজনক হলেও সত্য, জাতি হিসেবে ভারতীয়দের সবচেয়ে ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি।

প্রশ্ন: কলা খেলে উচ্চ রক্তচাপ কমে?

দেবি শেঠি: না।

প্রশ্ন: হার্ট অ্যাটাক হলে কেউ কি নিজে নিজে প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে পারে?

দেবি শেঠি: অবশ্যই। তাকে প্রথমেই শুতে হবে এবং একটি এ্যাসপিরিন ট্যাবলেট জিহবার নিচে রাখতে হবে। এরপর দ্রুত আশপাশের কাউকে বলতে হবে যেন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আমি মনে করি অ্যাম্বুলেন্সের জন্য অপেক্ষা করা ঠিক নয়। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অ্যাম্বুলেন্স যথাসময়ে হাজির হয় না।

প্রশ্ন: রক্তে শ্বেতকণিকা এবং হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে কি হৃদরোগ হতে পারে?

দেবি শেঠি: না। কিন্তু নিয়মিত ব্যায়াম করার জন্য হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক থাকা জরুরি।

প্রশ্ন: আমাদের ব্যস্ত জীবনযাত্রার কারণে অনেক সময় ব্যায়াম করা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে ঘরের স্বাভাবিক কাজের সময় হাঁটাহাঁটি করা অথবা সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করা কি ব্যায়ামের বিকল্প হতে পারে?

দেবি শেঠি: অবশ্যই। একটানা আধা ঘণ্টার বেশি বসে থাকার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। এমনকি এক চেয়ার থেকে উঠে অন্য চেয়ারে যেয়ে বসাও শরীরের জন্য অনেকটা সহায়ক।

প্রশ্ন: হৃদরোগ এবং রক্তে সুগারের পরিমাণের সাথে কি কোনো সম্পর্ক আছে?

দেবি শেঠি: বেশ গভীর সম্পর্ক আছে। ডায়াবেটিস রোগীদের হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অনেক।

প্রশ্ন: হৃদযন্ত্রের অস্ত্রোপচারের পর কি কি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে?
দেবি শেঠি: পরিমিত খাদ্যাভাস, ব্যায়াম, নিয়মিত ওষুধ খাওয়া, কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা। পাশাপাশি রক্তচাপ এবং ওজনও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

প্রশ্ন: যারা রাতের শিফটে কাজ করেন তাদের কি হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি?

দেবি শেঠি: না।

প্রশ্ন: আধুনিক অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ ওষুধগু কোনগুলো?

দেবি শেঠি: অনেক ওষুধই আছে। এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া জরুরি। তবে আমার পরামর্শ হলো, ওষুধ এড়িয়ে স্বাভাবিক পদ্ধতিতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা। আর সেজন্য নিয়মিত হাঁটা, ওজন কমে এমন খাবার খাওয়া এবং জীবনযাত্রার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি।

প্রশ্ন: ডিসপিরিন বা এই ধরনের মাথাব্যথা উপশমকারী ট্যাবলেট কি হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ায়?

দেবি শেঠি: না।

প্রশ্ন: মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা কেন হৃদরোগে বেশি আক্রান্ত হয়?

দেবি শেঠি: প্রকৃতি মেয়েদেরকে ৪৫ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেয়।

প্রশ্ন: হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখার উপায় কি?

দেবি শেঠি: স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। জাঙ্ক ফুড ও ধূমপান পরিহার করতে হবে। প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে। আর বয়স ত্রিশ পার হলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। অন্তত প্রতি ছয় মাসে একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতেই হবে।

24/12/2016

সহজ ঘরোয়া পরীক্ষায় জেনে নিন গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে? (জেনে রাখুন কাজে লাগবে)

গর্ভের শিশুটি ছেলে না কি মেয়ে হবে? মা-বাবারও জানার আগ্রহের কমতি থাকে না। তবে ২০ সপ্তাহের আগে শিশুটির লিঙ্গ Gender সম্পর্কে ডাক্তার জানাতে পারেন না।

২০ সপ্তাহ তো অনেক সময়, একটু চেষ্টা করলেই আগে জানা যায়। অনেক মায়েরাই তাদের গর্ভের সন্তান সম্পর্কে আলট্রাসনগ্রাম করার আগেই জানতে পারেন। কিন্তু, কীভাবে তা সম্ভব হয়, আজ আপনারাও তা জেনে নিন –১. কোন খাবারের প্রতি আপনার আকর্ষণ :
বেশীরভাগ মহিলা গর্ভাবস্থায় হরমোন ভারসাম্যহীনতায় ভোগে। যার ফলে তাদের মাঝে বিভিন্ন কিছু খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা জাগে। আপনার ক্ষুধিত খাদ্য টাইপ আপনার গর্ভস্থ শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ করতে পারে।

আপনার যদি মিষ্টি বা চিনিযুক্ত খাবার ইচ্ছা হয়, তাহলে সম্ভবত মেয়ে হবে আর যদি নিমকি এবং মসলাদার খাবার খাওয়ার ইচ্ছা হয়, তাহলে ছেলে হতে পারে।

⇒ প্রস্রাব ও সোডা পদ্ধতির মাধ্যমেও জানা যায়। এ পদ্ধতি জানতে ক্লিক করুন এখানে …

২. পেটে সমস্যা হচ্ছে কি :
সমীক্ষায় দেখা গেছে, যাদের গর্ভাবস্থায় সকালে হালকা বমি বা অন্য কোন সমস্যা হয় নি তাদের ছেলে হয়েছে। তবে, শিশুটি মেয়ে হলে পেটে ব্যথার সৃষ্টি হয় এবং সকালে শারীরিক অসুস্থতা বেশি বৃদ্ধি পায়।

৩. পেটের অবস্থান :
গর্ভাবস্থায় পেট বেশি ভারী মনে হলে, মেয়ে শিশু হবে। আর যদি ভার কম অনুভূত হয় তাহলে ছেলে হবে। শিশুটি যদি পেটের ডানদিকে আছে বলে মনে হয়, তাহলে মেয়ে হবে। আর যদি সমস্ত পেট জুড়ে বা বামদিকে অনুভূত হয় তাহলে ছেলে হবে।

⇒ প্রস্রাব ও সোডা পদ্ধতির মাধ্যমেও জানা যায়। এ পদ্ধতি জানতে ক্লিক করুন এখানে …

৪. হার্টবিট রেট :
ডাক্তারের নিকট চেকআপের সময়, যখন ডাক্তার আপনার গর্ভস্থ শিশুর হৃদস্পন্দন পরীক্ষা করেন তখন লক্ষ্য রাখুন, হৃদস্পন্দনের রেট কত। হৃদস্পন্দন যদি 140 BPM এর বেশি অথবা সমান হয়, তাহলে শিশুটি মেয়ে। আর যদি হৃদস্পন্দনের রেট 140 BPM এর কম হয়, তাহলে গর্ভস্থ শিশুটি ছেলে হবে।

৫. ব্রেকআউট :
গর্ভাবস্থায় আপনার ত্বকে কি ব্রণ বা অন্য কোন সমস্যা হচ্ছে, যা আপনার সৌন্দর্য নষ্ট করছে? তাহলে অবশ্যই আপনার মেয়ে হবে। আগের দিনের মানুষ বলত, মেয়ে শিশুরা মায়ের সৌন্দর্য চুরি করে, তাই মায়ের চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয়। যদিও তা কুসংস্কার।

⇒ প্রস্রাব ও সোডা পদ্ধতির মাধ্যমেও জানা যায়। এ পদ্ধতি জানতে ক্লিক করুন এখানে …

৬. রিং টেস্ট :
একটি আংটি নিয়ে সুতার সাথে বেঁধে নিন। তারপর আপনি শুয়ে আপনার পেটের উপর আংটিটি ঝুলিয়ে দিন। এবার আংটিটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করুন। যদি আংটিটি আপনার মাথা ও পায়ের দিকে সমান সমান দুলতে থাকে, তাহলে আপনার মেয়ে হবে। আর যদি রিংটি গোল গোল ঘুরতে থাকে তাহলে আপনার ছেলে হবে।

৭. শিশুদের উপদেশ নিন :
গর্ভাবস্থায় থাকা অবস্থায় অনেক আপনজনেরা পেটের সাথে কান লাগিয়ে শিশুটিকে অনুভব করতে চায়। অনেক ছোট ছোট শিশু আছে, যারা পেটের সাথে কান লাগিয়ে কথা বলতে চায়।

সেক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখুন, যদি কোন ছেলে শিশু আপনার পেটে কান লাগিয়ে বারবার শিশুটিকে অনুভব করতে চায়, তাহলে আপনার মেয়ে হবে। আর যদি কোন মেয়ে শিশু এ কাজটি করে, তাহলে আপনার ছেলে শিশু হবে।

এই বিষয়গুলো লক্ষ্য করলে আপনি ডাক্তার বলার আগেই বুঝতে পারবেন, কে আসছে আপনার জীবনে।

Address

Dhaka
1362

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when shafi.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to shafi.com:

Share