17/03/2026
Kathuray Furnishers & Home Decor, the easiest way to fulfill your Dream
কাঠুরে ফার্নিশার্স
সেগুন কাঠে, শিল্পর ছোয়া. Teak wood Furniture art, made to match only your heart. Doyal Tower,Banglabazar,Barisal
01706109609
Https://maps. App. Goo. Gl/LWE34zeZGxkngEkVA
Barishal
8200
| Monday | 09:00 - 23:00 |
| Tuesday | 09:00 - 23:00 |
| Wednesday | 09:00 - 23:00 |
| Thursday | 09:00 - 11:00 |
| Saturday | 09:00 - 23:00 |
| Sunday | 09:00 - 23:00 |
Be the first to know and let us send you an email when Kathuray Furnishers & Home Decor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
Send a message to Kathuray Furnishers & Home Decor:
প্রশ্নঃ কবে থেকে কাঠুরের যাত্রা শুরু হয়, এবং কেমন ছিলো এই যাত্রাপথ। উত্তরঃধন্যবাদ আপনাকে, আসলে কাঠূরে আক্ষরিক অর্থে তার যাত্রা শুরু করে ৯ ই জানুয়ারী ২০১৫ থেকে,মাত্র ৩ জন স্টাফ সাথে আমি এবং আমার পরিবার মিলে মানে আমি,আমার তিন বছরের বাচ্চা আর সার্বিক সহযোগিতায় আমার ব্যাংকার হাসবেন্ড , আমাদের প্রথম সোরুম হয় বাংলাবাজারে,আমার নানা ভাইর বাসার সামনে মাত্র ৭০০ স্কয়ারফূট জায়গাতে শোরুম দেই। এবং নানা ভাইর বাসার এক ইউনিট ভাড়া নিয়ে ফ্যাক্টরি স্থাপন করি। আমার অবস্থান থেকে সরুমে বসা,ফ্যাক্টোরির কাজ দেখা, বাচ্চা সামলানো,সংসারের যাবতিয় কাজ করা তথা একজন মহিলা হিসেবে সব কিছুর ভালো একটা মেলবন্ধন তৈরী করা খুবই কঠিন ছিলো।তারপরেও এটা সহজ হয়ে গিয়েছিলো যখন এটা ধিরে ধিরে তার পথ চলা শুরু করে,কাঠুরে পরিবারে এখন বীভীণ্ণ ভাবে সম্প্রিক্ত থেকে বরিশাল এবং ঢাকার কারখানা মিলিয়ে প্রায় ১৫০ স্টাফ কাজ করে,এখন বাংলাবাজারেই কাঠুরের তিনটা শোরুম রয়েছে,আর নতুন একটা ফ্লাগসিপ শোরুম অতিসিগ্রই হাস্পাতাল রোড বরিশালে উদবোধন হতে যাচ্ছে। আমাদের এই সাফল্যের সবটুকু অবদানই আমার কর্মিভাইদের ও আমাদের সোরুম ম্যানেজারদের অবদান,কেননা তারা আমাকে তাদের পরিবারের একজন মনে করে,সেভাবেই তারা আমাকে সাহাজ্য করে যেমনকরে পরিবারের একজনকে অপরজন সাহায্য করে। প্রশ্নঃআসলে কি কারনে কাঠুরে ফার্নিশার্সকে অন্যান্য ফার্নিচার শোরুমের থেকে আলাদা ভাবে দেখাতে চান? উত্তরঃ আসলে ফার্নিচার ব্যাবসা একটি পুরুষোকেন্দ্রিক ব্যাবসা,তারপর আবার একজন ফুল্টাইম মা,একজন ফুল্টাইম গ্রিহিনি হিসেবী ব্যাবসাতে করা তাও আবার এন্টিক বেইজড ফানিচার কোনো সহজ বিষয় নয়।সত্তিকার অর্থে ছোটবেলা থেকেই আমার ছবি আকার অভ্যাস ছিলো এবং একবার আমি বরিশালে শিশু একাডেমির ছাত্রি থাকা কালিন বরিশাল ডিভিসনে ছবি আকায় প্রথম হয়ে ছিলাম সেজায়গা থেকেই আমি কাঠে উপর আমার শইল্পিক মনোভাবটাকে ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছি,অন্য দিকে আমার সামির অনুপ্রেরনা,আমার নানাভাই ও আমার বুবুনির(নানু) অনুপ্রেরনায় এটাকে ব্যাবসায়িক রুপ দেবার চেস্টা করি,যখন একই সময় অন্যান্য মহিলা উদ্যক্তা প্রতিদন্দিরা তাদের বুটিক ব্যাবসা নিয়া তাদের পথচলা সুরু করে,তারপর ও আমি সিধান্ত নেই যে আমি আমার ভিতররে শিল্পটাকে কাঠের উপর জিবন্ত করে তুলবো। কাঠুরে প্রথমে এর যাত্রা অন্য দসটা ফার্নিচার দোকানের মত শুরু করলেও পরে কাস্টমারদের চাহিদার কথা বিবেচনায় নিয়ে ভিক্টরিয়ান এবং তুর্কির ডিজাইনের মিস্রনে নতুন সব ডিজাই্নের ফার্নিচার তইরি করছে যা কিনা ১০০ ভাগ চিটাগং সেগুন,বার্মাটীক সেগুন ও গর্জন দিয়ে তইরি। কাঠুরে প্রতিটি শোরুম একটীর থেকে অন্যটা আলাদা,যেমন বাংলাবাজারের একটা শোরুম ফুল ফার্নিশড প্রোডাক্ট দিয়ে সাজানো ,অন্যটিতে আপনি পাবেন নন বার্নিশ প্রোডাক্ট ,আবার কাঠুরে ৩য় টাতে আপনি পাবেন লেদারে প্রোডাক্টই বেসিরভাগ। প্রস্নঃ আপনার এই যাত্রাপথে কি কি বিষয় আপানার কাছে সবথেকে বেসি চ্যালেঞ্জিং মনে হয়ছে? ঊত্তরঃকাঠুরে ফার্নিশার্স হলো এই পুরুষ নিয়ন্ত্রিত ফার্নিচার ব্যাবসাতে একজন গ্রিহিনির শীল্প ও সপ্নের প্রতিচ্ছবি।আমার প্রথপ বিনিয়োগ ছিলো খুব ই সামান্য,পরে যখন আমার আরো বিনিয়োগের প্রয়োজন পরে আমি বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে যাই ফানান্সের জন্য,কিন্তু দুঃক্ষের বিষয় সব ব্যাংক ই বিভিন্ন সভা সেমিনারে বলে তারা মহিলা উদ্যক্তাদের লোন দিতে চায় ,কিন্তু পরে বুজতে পারি সবাই শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োম পালনের বা দেখানোর জন্য দুই একজন উদ্যক্তাকে যতসামান্য ঋন দেয় তাও আবার মর্টগেজ ছাড়া দেয় না পরে আমার হাসবেন্ড আমাকে কোনো ব্যাংক লোন নেয়ার ব্যাপারে নিরুসাহিত করে এবং সে কিছু টাকা দেয় ধার হিসেবে দেয় বিনিয়োগের জন্য তখন আমাকে যথেস্ট প্ররিশ্রম করা লেগেছিল অই অর্থ সোধ কোরতে।যেটা ছিলো সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জের বিষয়। আর একটা বিষয় হলো এই পুরুষকেন্দ্রিক ব্যাবসাতে আমার অন্যান্য ব্যাবসায়িক কম্পিটিটরদের সমালচনা,যখন আমার ব্যাবসা ছোট আকারে ষুরু করি তখন আমার আত্তিয় সজন্ তারাও বিষয়টি খুব ভালো ভাবে না নেয়া এই অবস্থাতে ব্যাবসাতে টিকে থাকা এবং তাকে একটা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া এটাও একটা বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় ছিলো। তারপরেও আমি এখনো আমাকে অনেক রাত পর্যন্ত কাস্টমারদের ডিজাইন সাইজ,অর্ডার সিপমেন্ট নিয়ে কাজ করতে হয়। আর এসব কিছুই সম্ভব হতোনা যদি না আমার ফ্যামিলি,আমার সব স্টাফ তথা পড়ম করুনাময় ও আসিম দয়ালু আল্লাহতায়ালার দয়া না থাকতো।আমার হাসবেন্ড সবসময় আমার সাফল্যে যেমন উতসাহ দিয়ে গেছেন আবার আমার কোনো কাজ বা ডিজাইন যদি ভালো না লাগে তার সমালোচনা করতেও দিধা করেন নায় যা আমাকে সব সময়ই এক নতুন কিছু শেখার উতসাহ যোগায়। প্রশ্নঃকাঠুরে ফার্নিশার্সের পরবর্তি লক্ষ কি? উত্তরঃখুব শিগ্রই কাঠুরে ফার্নিশার্স তার ফ্লাগসিপ শোরুম বরিশালের হাসাপাতাল রোডের চালু করতে যাচ্ছে।যাতে থাকছে ভিক্টোরিয়ান,তার্কিস,মিসরিয় ডিজাইনের এন্টিক ফার্নিচার কালেক্সনস।এছাড়া কাঠুরে স্পেসাল বার্মটীক কালেকসনও থাকবে। প্রশ্নঃঅন্য মহিলা উদ্যক্তা কেন্দ্রিক ব্যাবসা থাকতে আপনি কেন এই চ্যালেঞ্জিং ব্যাবসাটাকে ঈ বেছে নিলেন। উত্তরঃ আমরা বিয়েটা আসলে আমাদের আয়ফেয়ারস এর বিয়ে এবং স্টূডেণ্ট থাকা অবস্থাতেই আমাদের বিয়ে দেয়া হয়,যার ফলে আমাদের সংসার করাটাও একটু আগেই শুরু হয় আমার হাসবেন্ড ব্যাংকে জব পাওয়ার পর আমার সংসারে আরএকটু আর্থিক ভাবে ভালো থাকার জন্য কিছু একটা করতে চাইতাম ।অন্যদিকে আমাদের বাসার এক ভারাটিয়ার সেগুন কাঠের ফার্নিচার এর দোকান ছিলো একবার তার দোকানে আমি ফার্নিচার কিনতে গেলে দাম শুনে আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরে,তখন আমার মনে হয় যে আমি বাড়ীওয়ালা হিসেবে আমার কাছে ই যদি এই দাম চাওয়া হয় তবে অন্যান্য কাস্টমারদের কাছে কি পরিমান দাম রাখা হয়,ফলে একটা যেদ তইরি হয় যে আজ আমাদের এই ব্যাবসা থাকলে এত দাম দিয়ে বা অন্যায্য মুল্য দিয়ে ফার্নিচার কেনা লাগত না, অন্য দিক থেকে একবার আমার বাবা লংজিয়ান চায়না ব্রিজ কোম্পানিতে (পায়রা ব্রিজ কন্সটাকশন কোম্পানি)ফার্নিচার সাপ্লাইয়ের অর্ডার পায় যা তার সময় সল্পতার কারনে সে কাজটা করতে চাচ্ছিলেন না, এ সুযোগটা আমি লুফে নেই এবং সাফল্যের সাথে অদের অর্ডার ফুলফিল করি,যার ফলে আমার উতসাহ দিগুন হয়ে যায় , তখন আমি নিজেকে প্রশ্ন করি যে এই ফার্নিচার ব্যাবসা আমি করতে পারি কিনা,আমি আমার হাসবেন্ডকে মতামত দিতে বলি ,সেও বিষয়টা নিয়ে খুব উতসাহ দেয় এবং সে অনেক হেল্প করে প্লানিং ও ফাইনান্স এর ব্যাপারে।মুলত তার উতসাহ ও সহযোগিতা নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছিলো এই ব্যাবসা দার করানোতে।
Type a message...