04/08/2026
🇦🇪🇧🇩 ভিসা বাতিলে ৯৮৫ বাংলাদেশির তালিকা UAE সরকারের কাছে পাঠিয়েছে দূতাবাস, একই ইমেইলে তথ্য পাঠানোর আহ্বান!
সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ভিসা বাতিল হওয়া বাংলাদেশিদের তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। দূতাবাস জানিয়েছে, ৩ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ভিসা বাতিল হওয়া মোট ৯৮৫ জন বাংলাদেশির তথ্য ইউএই সরকারের কাছে কূটনৈতিক নোটের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।
দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, ভিসা বাতিলের ঘটনা শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রবাসীদের পাঠানো ইমেইলের ভিত্তিতে একটি ডাটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ইউএই সরকারের কাছে ভিসা বাতিলের কারণ, পুনরায় ভিসা সক্রিয় (রিঅ্যাকটিভেট) করার উপায় এবং বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থানরত যাদের ইউএইতে ব্যবসা, ব্যাংক হিসাব বা অন্যান্য সম্পদ রয়েছে, সেসব বিষয়ে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে—সে বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়েছে।
দূতাবাস আরও জানিয়েছে, ভিসা বাতিল হওয়া ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম এখনও চলমান।
এদিকে, সম্প্রতি দূতাবাস যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, সেটিকে অনেকেই 'ফরম' হিসেবে উল্লেখ করছেন। তবে দূতাবাস স্পষ্ট করেছে, এটি কোনো ফরম নয়; বরং ইমেইলে কী কী তথ্য দিতে হবে, তা সহজভাবে বোঝানোর জন্য একটি টেবিল আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে।
আবেদনকারীদের নাম, পাসপোর্ট নম্বর, এমিরেটস আইডি, পেশা, স্পন্সরের তথ্য, ভিসার মেয়াদ ও বাতিলের তারিখ, বর্তমান অবস্থান, যোগাযোগের তথ্যসহ প্রয়োজনীয় তথ্য একবারেই একটি ইমেইলে পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে দূতাবাস। পাশাপাশি পাসপোর্ট, এমিরেটস আইডি এবং ভিসা বাতিলের নোটিফিকেশনের স্ক্রিনশট সংযুক্ত করতে বলা হয়েছে।
দূতাবাস জানায়, একই ব্যক্তি একাধিক ইমেইল পাঠানো বা তথ্য ও সংযুক্তি আলাদা আলাদা ইমেইলে পাঠানোর কারণে ডাটাবেজ তৈরির কাজ ধীরগতির হচ্ছে। ৯৮৫ জনের তথ্য প্রস্তুত করতে প্রায় আড়াই হাজার ইমেইল পর্যালোচনা করতে হয়েছে।
এছাড়া, যারা আগে বা পরে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ইমেইলে পাঠিয়েছেন, তাদের পুনরায় পাঠানোর প্রয়োজন নেই বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে দূতাবাস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, দূতাবাসে ইমেইল পাঠানো মানেই ভিসা পুনরায় সক্রিয় হওয়ার নিশ্চয়তা নয়। ভিসা পুনরায় সক্রিয় করার ক্ষমতা একমাত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের হাতে। দূতাবাস কেবল প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আবেদন ও অনুসরণ করছে।